মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৭, ২০২৬
প্রচ্ছদচট্রগ্রাম প্রতিদিনরণিকে শীঘ্রই রাজপথে ফিরিয়ে আনার শপথ মহিউদ্দিন চৌধুরীর

রণিকে শীঘ্রই রাজপথে ফিরিয়ে আনার শপথ মহিউদ্দিন চৌধুরীর

নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে দণ্ডিত চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নূরুল আজিম রণিকে শীঘ্রই রাজপথে ফিরিয়ে আনার শপথ ব্যক্ত করেছেন সাবেক মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী। ১০ মে ১৪ দলের জরুরি সভায় মহিউদ্দিন প্রথমবারের মতো নূরুল আজিম রণির পক্ষে মুখ খুললেন। রণির মুক্তির দাবিতে আয়োজিত এ সভায় ১৪ দলের সমন্বয়ক এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, নূরুল আজিম রনিকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে।  নির্বাচনে কতর্ব্যরত জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাকে তাৎক্ষণিকভাবে সাজা দিয়ে মহলবিশেষকে খুশি করেছেন।  এতে বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।  মহলবিশেষ দল ও সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালিয়েছেন।  এই অপচেষ্টা অবশ্যই প্রতিহত করা হবে।

সভাপতির বক্তব্যে মহিউদ্দিন আরও বলেন, রনিকে গ্রেফতারের ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত।  তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে ভোটকেন্দ্রের বাইরে থেকে।  এতে প্রতীয়মান হয়, তাকে ফাঁসানোর জন্যই প্রশাসনে ঘাপটি মেরে থাকা মহলবিশেষ একটি ছক তৈরি করে রেখেছিল।  কর্তব্যরত জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ছক অনুযায়ী রনিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ফাঁসিয়েছেন।

‘ওই ম্যাজিস্ট্রেট যখন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন তখন তার রাজনৈতিক পরিচয় ও ভূমিকা সম্পর্কে আমরা অবগত।  তিনি শিবিরের মেসে থাকতেন এবং ক্যাম্পাসে শিবিরের কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলেন।  তিনি বিচারক হয়ে যাদের ইন্ধনে রনিকে ফাঁসিয়েছেন তাদেরকেও আমরা চিনি।  শীঘ্রই তাদের মুখোশ খুলে দেয়া হবে।  রনিকে আবারও রাজপথে ফিরিয়ে আনব।

সভায় রনিকে গ্রেফতার ও তড়িঘড়ি সাজা প্রদানের কারণ অনুসন্ধানের জন্য ১৪ দলের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের একটি টিম গঠন করা হয়েছে।  টিমের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে রনিকে মুক্ত করার পদক্ষেপ নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সভায় নূরুল আজিম রনির মেধা, সততা, নৈতিকতা ও সাহসী নেতৃত্ব সম্পর্কে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিনের ইতিবাচক বক্তব্যের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানানো হয়।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মহানগর জাসদের সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন বাবুল, ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শামসুদ্দিন খালেদ সেলিম, সাম্যবাদী দলের অমূল্য বড়ুয়া, ন্যাপের আলী আহম্মদ নাজির, জাতীয় পার্টির  (জেপি) নগর সভাপতি আজাদ দোভাষ, গণআজাদী লীগের আহবায়ক নজরুল ইসলাম আশরাফী, নগর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য অমল মিত্র, সদরঘাট থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর চৌধুরী, কোতয়ালি থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফিরোজ আহমদ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হাসান মনসুর, ন্যাপ নেতা মিটুল দাশ গুপ্ত, নগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, প্রদীপ খাস্তগীর প্রম‍ুখ।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ