নগরীর সদরঘাট থানার পশ্চিম মাদারবাড়ী ডিটি রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি আইসক্রিম তৈরির প্রতিষ্ঠান সিলগালা করে দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানকালে হ্যাপি আইসবার নামের ওই প্রতিষ্ঠানের মালিককে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া ৫ হাজার পিস আইসক্রিম জব্দ ও আনুমানিক ১০ হাজার টাকার বিভিন্ন কেমিক্যাল ধ্বংস করা হয়। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুহুল আমিন।
ম্যাজিস্ট্রেট রুহুল আমিন জানান, এরা আইসক্রিমে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর রং ব্যবহার করছে। অভিযানকালে এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানের মালিক আমাকে বলেন, ‘রং না দিলে কেউ কিনবে না। তাই কালার দিতে হয়। এগুলো ২০০/৪০০ টাকা করে বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। আর ফুড কালারের দাম এক কৌটা ৩ হাজার টাকা। এটা কিনলে পোষায় না। এছাড়া ঘনচিনি, সাইট্রিক এসিড আর সবুজ রঙ, আ্যারারোট (যা জামা কাপড়ের মাড় হিসেবে ব্যবহার হয়), পাম ওয়েল, চকলেট পাউডার আইসক্রিমের উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
রুহুল আমিন বলেন, অভিযানকালে কোনো কেমিস্ট ছাড়া আইসক্রিমে সাইট্রিক এসিড কীভাবে মেশান জানতে চাইলে দোকানের মালিক বলেন, ‘যারা বানায় ওদের একটা আন্দাজ হয়ে গেছে, তাই সমস্যা হয় না। অভিযানকালে ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক শফিকুল হক বলেন, আমার বাড়ি বরিশাল। আমি বছরে ৩/৪ মাসের জন্য চট্টগ্রাম আসি। আইসক্রিম বানাই, এরপর আবার বরিশাল চলে যাই। এটা আমার সিজনাল ব্যবসা। এসব অভিযোগে কারখানাটি সিলগালা করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন কেমিক্যাল ধ্বংস করা হয় এবং এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয় বলে জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুহুল আমিন।




