সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে শনিবারের সংবাদ সম্মেলনে মুজাহিদের পরিবারের পক্ষে তার স্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, তার (মুজাহিদের স্ত্রী) এ বক্তব্যের কোনো ভিত্তি নেই। এক মামলায় দণ্ড কার্যকর হলে তার বিরুদ্ধে আর যে কয়টা মামলাই থাকুক না কেন সেগুলো অকার্যকর হবে। মৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালতে কোনো প্রকার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয় না। তাদের বিরুদ্ধে বিচারও চলে না।
উল্লেখ্য, শনিবার দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট বার মিলনায়তনে ‘রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদকে সাংবিধানিক অভিভাবক উল্লেখ করে তার কাছে সুবিচার প্রত্যাশা করেন যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আলী আহসান মুজাহিদের স্ত্রী তামান্না ই জামান। এ সময় বিশেষ ট্রাইব্যুনালে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় যদি অন্য কোনো মামলায় মুজাহিদের দণ্ড কার্যকর হয় তাহলে তা নাগরিক অধিকারের লঙ্ঘন হবে বলে যুক্তি দেখান তার স্ত্রী। তিনি বলেন, যেহেতু রাষ্ট্রপতি ব্যক্তিগত জীবনে একজন আইনজীবী ও আইনবিদ তাই আশা করি রাষ্ট্রপতি নাগরিক হিসেবে মুজাহিদের আইনি ও সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নেবেন। উল্লেখ্য, ২১শে আগস্ট ও গ্রেনেড হামলা মামলার মুজাহিদ অন্যতম আসামি। ওই মামলার এখন চূড়ান্ত সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে।
মুজাহিদের স্ত্রীর এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের তো সাংবিধানিক অনেক অধিকার খর্ব করা হয়েছে। তাদের অনেক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। সুতরাং তাদের এসব কথাবার্তা অযৌক্তিক। জনগণকে বিভ্রান্ত করতেই তারা এসব কথা বলছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, এখন শুধু রাষ্ট্রপতির কাছে একটাই আবেদন করা যাবে তা হলো প্রাণভিক্ষা।




