জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭০তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকাল আটটা ১০ মিনিটে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের একটি বিশেষ ফ্লাইটে নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. একে আবদুল মোমেনসহ দূতাবাসের কর্মকর্তারা। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরাও প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।
এরপর হোটেল ওয়াল্ডর্ফ এস্টোরিয়ায় যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে তিনি এ হোটেলে অবস্থান করবেন। হোটেল স্যুটে বসে পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে প্রবাসী ও দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী। সংবাদ মাধ্যমের সামনে এক শুভেচ্ছা বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, দেশে ও প্রবাসে সকল বাংলাদেশি আনন্দের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে পারবেন। এসময় দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।
২৪ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে ঈদ-উল আজহা উদযাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সন্ধ্যায় স্থানীয় একটি হোটেলে ঈদের অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানেও যোগ দেবেন তিনি। ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে প্রধানমন্ত্রী যোগ দেবেন জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে। সেখানে ব্যস্ত সময় কাটাবেন টানা ছয়দিন। এ বছর জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর হাতে জাতিসংঘের পরিবেশ সম্পর্কিত সর্বোচ্চ পুরস্কার ‘চ্যাম্পিয়ন্স অব দ্য আর্থ’ এবং ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের টেকসই উন্নয়নে আইসিটি পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে। ১ অক্টোবর নিউইয়র্ক ছেড়ে স্থানীয় সময় ২ অক্টোবর লন্ডনে সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি শেষে ৩ অক্টোবর দেশে ফিরে সিলেট হয়ে ঢাকায় পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ এম মাহমুদ আলী, তার প্রেস সেক্রেটারি এহসানুল করিম প্রমুখ সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন। ২৩ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টার দিকে হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে যান প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দরে এ সময় শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ, তিন বাহিনী প্রধান, ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত, বৃটিশ হাইকমিশনারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন বিমানবন্দরে।




