এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মন্তব্য করে প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজ বলেছেন, সালাউদ্দিন কাদের সাকা চৌধুরী মুক্তিযুদ্ধের সময় হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর বিভিন্ন সময় নির্যাতন চালিয়েছেন। আজকে এই অপরাধের বিচারের মাধ্যমে প্রমাণ হলো, এটি একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র। মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের সাকা চৌধুরীর ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রেখেছেন সু্প্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। সাকা চৌধুরীর আপিল আবেদন খারিজ করে দিয়ে বুধবার (২৯ জুলাই) প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ রায় দেন। বেঞ্চের অন্য সদস্যরা হলেন- বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। রায় পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় তুরিন আফরোজ বলেন, বিভিন্ন সময় ট্রাইব্যুনালকে গালিগালাজ করেছেন তিনি। দাম্ভিকতা দিয়ে তিনি নিজেকে ল’মেকার দাবি করতেন। এই রায়ের মাধ্যমে এই সত্য প্রতিষ্ঠিত হলো যে, আসলে আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। আজ যদি তিনি (সালাউদ্দিন কাদের) আদালতে উপস্থিত থাকতেন বা থাকার সুযোগ হতো তাহলে আজও তিনি আদালতকে কটূক্তি করে কথা বলতেন বলেও মন্তব্য করেন তুরিন আফরোজ।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ সাকা চৌধুরীকে যে চার হত্যা-গণহত্যার দায়ে সর্বোচ্চ সাজা দিয়েছিলেন সেগুলোর সাজাই বহাল রেখেছেন সর্বোচ্চ আদালত। ফলে চূড়ান্ত রায়েও অধ্যক্ষ নূতন চন্দ্র সিংহকে হত্যা (৩ নম্বর অভিযোগ), রাউজানের সুলতানপুর গ্রামে তিনজনকে গণহত্যা (৫ নম্বর অভিযোগ), রাউজানের ঊনসত্তরপাড়ায় ৫০-৫৫ জনকে গণহত্যা (৬ নম্বর অভিযোগ) এবং চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা শেখ মোজাফফর আহম্মদ ও তার ছেলে শেখ আলমগীরকে হত্যার(৮ নম্বর অভিযোগ) দায়ে ফাঁসির আদেশ হয়েছে তার।




