রবিবার, অক্টোবর ২৫, ২০২৬
প্রচ্ছদজাতীয়স্থলসীমান্ত চুক্তি বিল অপরিবর্তিতভাবেই পাস করানোর সিদ্ধান্ত নিল ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার

স্থলসীমান্ত চুক্তি বিল অপরিবর্তিতভাবেই পাস করানোর সিদ্ধান্ত নিল ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার স্থলসীমান্ত চুক্তি বিল অপরিবর্তিতভাবেই পাস করানোর সিদ্ধান্ত নিল ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। এর ফলে বিলটি নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতার অবসান হতে চলেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভাপতিত্বে দেশটির মন্ত্রিসভা এ অনুমোদন দিয়েছে বলে জানাচ্ছে ভারতের সংবাদ মাধ্যমগুলো। ক্ষমতায় আসার পর স্থলসীমান্ত চুক্তির বিষয়ে বাংলাদেশকে নানাভাবে আশ্বস্ত করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তারপরেও সম্প্রতি দেশটির ক্ষমতাসীন দল বিজেপির ভোটের হিসেবে আবার জটিল হয়ে উঠে সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের সমীকরণ।

সংবিধান সংশোধনী বিল থেকে আসামকে বাদ দেওয়ার কথা তোলে তারা। তবে তাতে আপত্তি জানায় প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস। মুল চুক্তি অনুসারে আসামকে রেখেই সীমানা চুক্তি চায় দলটি। আসামের মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈ, যিনি কংগ্রেসের একজন নেতাও, তিনি প্রধানমন্ত্রীকে লেখা এক চিঠিতেও সে দাবি স্পষ্ট করেন। বিরোধীদের এমন আপত্তির মুখে শেষ পর্যন্ত আসামকে রেখেই বিলটি অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা। এ স্থলসীমান্ত চুক্তি অনুসারে বাংলাদেশ এবং ভারত একে অপরের দখলে থাকা ১৬১টি সিট মহল বিনিময় করতে চায়।

এর আগে সোমবার (৪ মে) রাতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহর বাসভবনে এ বিষয়ক একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অনুমোদন নিয়ে বুধবার (৬ মে) সীমান্ত বিলটি অপরিবর্তিতভাবেই রাজ্যসভায় পাস করিয়ে বৃহস্পতিবার (৭ মে) লোকসভায় পাস করানোর চেষ্টা হবে। কারণ, এ বিলটি পাসের ওপর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফর নির্ভর করছে। মোদী জুন মাসে ঢাকা আসতে আগ্রহী। তার আগে লোকসভার অধিবেশন ৮ মে শেষ হয়ে যাচ্ছে। তার আগেই এ ১১৯তম সংবিধান সংশোধন বিলটি পাস করাতে চায় ভারত সরকার। ছিটমহল ও অপদখলীয় ভূমি বিনিময় এবং সাড়ে ছয় কিলোমিটার সীমান্ত চিহ্নিত করার লক্ষ্যে ১৯৭৪ সালের স্থলসীমান্ত চুক্তিটির পুরোপুরি বাস্তবায়নে ২০১১ সালে একটি প্রটোকল সই করেছিল বাংলাদেশ ও ভারত।

  • বিষয়:
  • top
আরও পড়ুন

সর্বশেষ