টানা ২০ দিনের বিরামহীন গণসংযোগের ক্লান্তি ছাপিয়ে শেষ দিনের প্রচারণায় অনেকটাই নির্ভার দেখা গেছে মেয়র প্রার্থী আ জ ম নাছির উদ্দিনকে। মুখে অমলিন হাসি, টেনশনের কোন ছাপ নেই। কথায়, অভিব্যক্তিতে বিজয়ের দৃঢ় প্রত্যয়। জয় কিংবা পরাজয় যে ফলই আসুক, জনগণের রায় মাথা পেতে নেবার কথাও বলেছেন নাছির। তবে জীবনে তার পরাজিত হওয়ার রেকর্ড নেই বলেও জানিয়েছেন নাছির। নির্বাচনের মাত্র একদিন আগে আ জ ম নাছিরের সাবলীল আচরণ উদ্দীপ্ত করেছে কর্মীদেরও। তাই প্রচারণায় শেষদিনে যেখানেই গেছেন নেতাকর্মী, সমর্থকদের সরব পদচারণায় মুখরিত হয়েছে সেই অঙ্গণ। রোববার খানিকটা বেলা করেই প্রচারণায় বের হন আ জ ম নাছির। নগরীর আন্দরকিল্লায় বাসার ড্রইংরুমে সকাল ৮টা থেকেই জড়ো হতে থাকেন নেতাকর্মীরা। ১১টার দিকে শোবার ঘর থেকে ড্রইংরুমে আসেন নাছির, সঙ্গে দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ নেতা তিমির বরণ চৌধুরী।
নেতাকর্মীদের সঙ্গে কুশল বিনিময়, হাসিঠাট্টা করে কিছুক্ষণ সময় কাটান তিনি। হাস্যোজ্জ্বল নাছিরের কাছে জানতে চাওয়া হয়, জয়ের ব্যাপারে কতটুকু আশাবাদী তিনি। জবাবে বলেন, ‘আমি শতভাগ আশাবাদী। কারণ মানুষ পরিবর্তন চায়। মানুষ পরিবর্তনের পক্ষে অবশ্যই রায় দেবেন।’ মনজুরকে ‘ডোবাতে’ বৃষ্টি কামনা করেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এমন কিছু কামনা করিনা। বৃষ্টি প্রকৃতির বিষয়। আমি কামনা করলেই কি বৃষ্টি আসবে? ১৬ কোটি মানুষ, সবার কামনা তো সবসময় পূরণ হয়না। তিনি বলেন, আমি নির্বাচন করতে নেমেছি। জয়ী হওয়ার জন্য যে ভূমিকা রাখা দরকার আমি সেই ভূমিকা রেখেছি।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদ ব্যক্ত করেন আ জ ম নাছির। তিনি বলেন, আমার জীবনে পরাজিত হওয়ার রেকর্ড নেই। জীবনে কোনদিন পরাজিত হইনি, এবারও হবনা। ইনশল্লাহ, আমি বিপুল ভোটে জয়ী হব। নাছির বলেন, আমি সরাসরি ভোটারদের কাছে যাবার চেষ্টা করেছি। ১৮ লক্ষ ভোটারের কাছে হয়ত আমি যেতে পারিনি। তবে কর্মী, সমর্থকদের মাধ্যমে আমি আমার ম্যাসেজ তাদের কাছে পৌঁছে দিয়েছি। হাতি প্রতীকে তার বিজয় সুনিশ্চিত বলেও জানান আ জ ম নাছির।




