নাশকতায় মিরসরাই বড়তাকিয়া এলাকায় দুর্ঘটনায় চট্টগ্রামের সঙ্গে সারাদেশের ট্রেন যোগাযোগ ১২ ঘণ্টা বন্ধ থাকার সোমবার বিকেল চারটা থেকে শুরু হয়েছে। সোমবার বিকেল চারটা থেকে আপ লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা ফিরোজ ইফতেখার। তিনি বলেন, দুটি উদ্ধারকারী ট্রেন ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কাজ চালায়। বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে একটি লাইন চলাচলের উপযোগী হয়। দ্বিতীয় লাইনটি সচল করতে কাজ চলছে।
সোমবার ভোরে মিরসরাই উপজেলার বড়তাকিয়া এলাকায় রেল লাইনের প্যান্ডেল ক্লিপ খুলে ফেলায় চট্টগ্রামগামী ময়মনসিংহ এক্সটেপ্রস ট্রেনের দুটি বগি ও একটি ইঞ্জিন লাইনচ্যুত হয়। এতে চট্টগ্রামের সঙ্গে সারাদেশের ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। আহত হয় ১০ জন যাত্রী। দুর্ঘটনার কারণে সূবর্ণ, মহানগর প্রভাতী, চাঁদপুরগামী সাগরিকা ও বিকেলের গোধূলী এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী সূবর্ণ ও মহানগর প্রভাতীর যাত্রা বাতিল করা হয়। রেল দুর্ঘটনা তদন্তে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর সোমবার সকালে মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইমতিয়াজ ভূইয়া, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহম্মদ আশরাফ হোসেন, মিরসরাই পৌর মেয়র এম শাহজাহান, চট্টগ্রাম জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান, রেলওয়ের পূর্বাঞ্চল বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী আহম্মদ উল্যা ঘটনাস্থ পরির্দশন করেছেন।




