খাদ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আমার মা-বোন এভাবে সঙ সেজে সমাজে চলাফেরা করলে তাকে সমাজ থেকে বের করে দেওয়া হতো। বিদায়ী মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে যেভাবে সঙ সেজে চেহারা দেখিয়েছেন তাতে আমাদের লজ্জা করে। একজন নেত্রী হিসেবে তার (খালেদা জিয়া) এটা করা উচিত হয়নি। একজন ‘পার্ভার্টেড মহিলা’ হিসেবে খালেদার নাম শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারণ না করতেও সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি। খালেদা-তারেক রাজনৈতিক শিষ্টাচার বর্হিভূতভাবে কথা বলেন জানিয়ে কামরুল ইসলাম বলেন, যারা রাজনীতিতে শিষ্টাচার বর্হিভূতভাবে কথা বলেন তাদের সঙ্গে কিভাবে রাজনীতি করব, কথা বলব? খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান দেশের বিরুদ্ধে যেসব কথা বলেন তার জবাব দেওয়ার ভাষা নেই বলেও মন্তব্য করেন খাদ্যমন্ত্রী।
বিএনপি ক্ষমতায় গেলে শেখ হাসিনার মামলা পুনরুজ্জীবিত করার হুমকি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার কোনো মামলা রাজনৈতিক বিবেচনায় নয়, আইনি প্রক্রিয়ায় শেষ হয়েছে। ‘আইনি প্রক্রিয়ায় উচ্চ আদালতে এসব মামলা শেষ শেষ হয়েছে। মুর্খ খালেদা জিয়া কিভাবে শেষ হওয়া মামলা পুনরুজ্জীবিত করবেন?’ প্রশ্ন করেন কামরুল। খালেদা জিয়া তারেককে বিষোদগারে প্রেরণা জোগাচ্ছেন অভিযোগ করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, খালেদা-তারেক মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ। তাদের দুইজনেরই এক ভাষা। তারেক দেশের বাইরে থেকে উত্তেজনা বিভ্রান্তি ছড়াতে এসব বিষোদগার করছেন। সাহস থাকলে তারেক রহমানকে ঢাকায় এসে কথা বলার আহ্বান জানান তিনি।
খালেদা, তারেক রাজনীতিকে অসুস্থ ও নোংরা করে দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেন খাদ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সুস্থ রাজনীতি ফিরিয়ে আনতে হলে বিএনপি, খালেদা, তারেককে রাজনীতি থেকে বিদায় করতে হবে। এদের নেতৃত্ব থাকলে বিএনপি কোনদিন ক্ষমতায় আসবে না। খালেদা-তারেক সুস্থ নয়, রাত নয়টার পরে মিটিং হয়, কিসের মিটিং হয়? প্রশ্ন করেন কামরুল ইসলাম।
বিএনপির আন্দোলনে মানুষ মাঠে নামবে না চ্যালেঞ্জ করে তিনি বলেন, বিএনপির রাজনৈতিক, সাংগঠনিক কোন কাঠামো বা কারিশমা নেই। মানুষ আর আপনাদের আন্দোলনের ডাকে মাঠে নামবে না। এতিমদের মামলায় খালেদা কোনোভাবেই পার পাবেন না। তার আইনজীবীরা আদালতে তুলকালাম করছেন। আপনি (খালেদা জিয়া) যে অপরাধ করেছেন তার জন্য পার পাবেন না।
সাংবাদিকরা অক্সিজেন দিয়ে বিএনপিকে বাঁচিয়ে রেখেছেন অভিযোগ করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি নেতারা অফিসের সামনে পুলিশ দেখলে বাসায় গিয়ে ঘুমান। লাদেন বার্তা, অডিও বার্তা পাঠিয়ে আন্দোলন করেন। সাংবাদিকরা না থাকলে বিএনপির আন্দোলন প্রকাশও পেত না। বিএনপি ও খালেদা জিয়া, তারেক রহমানকে মনে মনে নয় প্রকাশ্যে ঘৃণা করতে দেশের মানুষের প্রতি আহ্বান জানান কামরুল ইসলাম। আলোচনা সভায় ঢাকা মহানগর আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ হাসান মাহমুদ বক্তব্য রাখেন।




