রবিবার, অক্টোবর ২৫, ২০২৬
প্রচ্ছদজাতীয়মধ্যবর্তী নির্বাচন আদায় করার শক্তি বিএনপির নেই

মধ্যবর্তী নির্বাচন আদায় করার শক্তি বিএনপির নেই

ষ্টাফ  রিপোর্টার  (বিডিসময়২৪ডটকম)

আন্দোলন করে মধ্যবর্তী নির্বাচন আদায় করার সাহস বা শক্তি কোনটিই বিএনপি নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশর ওয়ার্কাস পার্টির সভাপতি এবং বর্তমান সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। শনিবার রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বিবিসি সংবাদদাতা আকবর হোসেনের সঞ্চালনা রাশেদ খান মেনন ছাড়াও বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপের ৬০তম পর্বে অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচক সদস্য হিসেবে ‌উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য আ স ম হান্নান শাহ, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক আইন বিষয়ক উপদেষ্টা মঈনুল হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জিনাত হুদা ওয়াহিদ।

পাঁচ বছরের আগে পরবর্তী নির্বাচন নয় বলে মন্ত্রীরা যে বক্তব্য দিচ্ছেন, তা কি আগাম নির্বাচনের দাবি আদায়ে বিএনপিকে আবারো আন্দোলনের পথে ঠেলে দিতে পারে? একজন দর্শকের প্রশ্নের জবাবে মেনন বলেন, বিএনপি আন্দোলন করে পুনর্নির্বাচনের দিকে নিতে পারবে বলে আমি মনে করি না। কারণ তারা জামায়াতকে সঙ্গী করেছিলো যেখানে জনগণের অংশগ্রহন ছিলো না। তবে পরবর্তী নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

হান্নান শাহ বলেন, আমরা আগে থেকেই দাবি করেছি দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হতে পারে না। তারপরও এমন নির্বাচন করে একটি বিতরর্কের জন্ম দিলো সরকার। বর্তমান সরকারের মন্ত্রীরা যদি এভাবে কথা বলতে থাকেন তবে জনগনই মাঠে নামবে। হান্নান শাহ আরো বলেন, বর্তমান সরকারকে আমরা ছাড়াও অন্যান্য দল অবৈধ বলেছে।

মঈনুল হোসেন বলেন, জনগণের মতামতভিত্তিক একটি নির্বাচন হওয়া উচিত ছিল। সরকার শাসনতন্ত্র মেনে অবশ্যই জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্ব‍াচন দেওয়া উচিত।

হান্নান শাহ এ প্রসঙ্গে দি ডেইলি স্টার সম্পাদকের একটি বক্তব্য উল্লেখ করে বলেন, সরকার এ গুম হত্যার ব্যাপারে নিজে কোনো কথা না বলে অন্য মাধ্যম দিয়ে বা মুখপাত্র দিয়ে তাদের বক্তব্য দিয়েছে। আজকে যেভাবে গুম হত্যা হচ্ছে তা কোনো দেশেই সমর্থনীয় নয়।

রাশেদ খান মেনন বলেন, বিএনপি যে ৩৩০ জনের গুম হওয়ার হিসাব দেখিয়েছে তা আমাদের হিসেবে মাত্র ১৭ জন। যে রাজনীতি শুরু হয়েছে তা গণতান্ত্রিক রাজনীতির জন্য ক্ষতিকর। নিশ্চয়ই বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড শূণ্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে হবে। তবে যেসব বিদেশিরা এর সমালোচনা করে তাদের দেশেও এমন ঘটনা অহরহ হচ্ছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের দৃশ্যমান অবনতির কারণে জিএসপি সুবিধা ফিরে পেতে কি বাংলাদেশের অসুবিধা হতে পারে? আরেক জন দর্শকের প্রশ্নের জবাবে রাশেদ খান মেনন বলেন, জিএসপি সুবিধা প্রত্যাহার করায় খুব একটা ক্ষতি হয়নি। কারণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বাংলাদেশ মাত্র ৬০০ মিলিয়ন ডলার পেতো। তবে তাদের দেওয়া ১৬টি শর্তের মধ্যে ১৩টি শর্ত আমরা পরিপূর্ণভাবে পূরণ করেছি। এ বিষয়টির সঙ্গে ড. ইউনুস বা নির্বাচনকে জড়ানো খুবই অযৌক্তিক। হান্নান শাহ বলেন, আমাদের গার্মেন্টস সেক্টরে যদি কোনো প্রভাব না পড়তো তবে ১৩টি  শর্ত পূরণ করতে হলো কেন?

আরও পড়ুন

সর্বশেষ