মঙ্গলবার, মে ২১, ২০২৪
প্রচ্ছদইন্টারভিউমহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় মন্ত্রী আর এমপিদের এক হাত নিলেন নেতারা

মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় মন্ত্রী আর এমপিদের এক হাত নিলেন নেতারা

মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় মন্ত্রী আর এমপিদের এক হাত নিলেন নেতারা। ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন হচ্ছে না। মন্ত্রী, এমপিরা নিজের আগের গুছিয়ে নিচ্ছেন। সংগঠনের দিকে তাদের কোন নজর নেই। একের পর এক এমন অভিযোগ মহানগর নেতা আইনপ্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম সভাকক্ষ থেকে বেরিয়ে যান।
বুধবার সকালে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দুদিনের এ  সভা শুরু হয়। সাংগঠনিক ভিত জোরদার করার কৌশল খুঁজতে ডাকা হয় সভা।
রুদ্ধদ্বার এ বর্ধিত সভায় সংবাদকর্মীদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি।  সভা সুত্রে জানা গেছে, সভায় কমিটি গঠনের দাবি তোলা হয়। মহানগর আওয়ামী লীগের সর্বশেষ কমিটি হয়েছে প্রায় ১০ বছর আগে।
সভায় মহানগর নেতা, স্থানীয় সংসদ সদস্যদের তুলোধূনা করা হয়। ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ ভাগ করার পক্ষে-বিপক্ষে কথা বলেন অনেকে।
আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলামের সংসদীয় আসনের একজন নেতা বলেন, মন্ত্রী হওয়ার আগে কামরুল ইসলাম ওয়ার্ডের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথাবার্তা বলতেন। কিন্তু এখন তাঁকে খুঁজে পাওয়া যায় না। তিনি এখন অমাবস্যার চাঁদ।
আরেক নেতার দাবি দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও মহানগরের নেতারা কমিটি ঘোষণা করছেন না। আমাদের বয়স হয়েছে। আমরা এক দায়িত্বে আর কত বছর থাকব? একবার মহানগর নেতারা তাঁদের ইচ্ছামতো কমিটি করেন। আবার স্থানীয় সাংসদ তাঁর মতো কমিটি করেন। তাঁদের ঠেলাঠেলিতে আমাদের কাহিল অবস্থা।
কী অদৃশ্য কারণে মহানগরের নেতারা কমিটি করছেন না, তা জানতে চাওয়া হয় সভায়।
তারা সরাসরি অভিযোগ তোলেন, এমপিরা এখন ব্যস্ত ভাগ-বাঁটোয়ারা নিয়ে। দল গোছানোর সময় কোথায় তাঁদের?
মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম এ আজিজ, সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম, মোহাম্মদ সেলিম ও সাংসদ সানজিদা খানম উপস্থিত ছিলেন সভায়।
এ ছাড়া বৈঠকে ঢাকা মহানগরের অন্তর্ভুক্ত ৯৩টি ওয়ার্ড, ১৮টি ইউনিয়ন ও ৪৯টি থানার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক কিংবা প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে ২০ জুন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাদের সামনেই প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিভিন্ন ওয়ার্ড ও থানার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকেরা। এর পরিপ্রেক্ষিতে মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী আজকের দিনে পরবর্তী বর্ধিত সভায় সবার কথা শুনে মহানগর আওয়ামী লীগসহ সব ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও থানা কমিটি গঠনের ঘোষণা দেওয়ার পর ক্ষোভ প্রশমিত হয়।

– See more at: http://www.dhakatimes24.com/index.php?view=details&data=Cricket&news_type_id=1&menu_id=2&news_id=50112#sthash.WL0uhClp.dpuf

আরও পড়ুন

সর্বশেষ