সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২৬
প্রচ্ছদজাতীয়যুক্তরাজ্যের কাছে তারেকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা পাঠিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

যুক্তরাজ্যের কাছে তারেকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা পাঠিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

ষ্টাফরিপোর্টার  (বিডিসময়২৪ডটকম)

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপ’র ভবিষ্যৎ কর্ণধার ও দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক কৌশলে যুক্তরাজ্যের কাছে সরকারী ভাবে পরোয়ানা পাঠিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গত ৫ নভেম্বর বিকেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক অধিশাখার সূত্রে তারেক রহমানকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ জানানোর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

পরোয়ানার চিঠিটিতে বলা হয়েছে “পলাতক আসামি তারেক রহমানের বিরুদ্ধে আদালতের ইস্যু গ্রেফতারি পরোয়ানাটি ঢাকার জাতীয় অপরাধ প্রতিহত কমিটি থেকে বৃটেনের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোতে (এনসিবি) পাঠানো হয়েছে। ওই আসামিকে দেশে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে বৃটিশ সরকারকে অনুরোধ করা হলো।”
ইতিপূর্বে অবৈধভাবে অর্থ পাচারের মামলায় তারেকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সেই ধারাবহিকতায় ইতিমধ্যেই তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির ব্যাপারে ইন্টারপোলকেও জানানো হয়েছে।

গত ২৬/১০/২০০৯ তারিখে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থানা তারেক রহমান ও তার পার্টনার  গিয়াসউদ্দিন আল মামুনের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়ের করে দুদক।  ৬ জুলাই  ২০১০ সালের এ বিষয়ে অভিযোগপত্র দেয়া হয়। অভিয়োগ  দাখিলের পর  ৮ আগস্ট ২০১১ সালের এ মামলার অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

এজাহারে বলা হয় টঙ্গীতে ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের কাজ পাইয়ে দেয়ার জন্য নির্মাণ কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেডের মালিক খাদিজা ইসলামের কাছ থেকে তারেক রহমানের বন্ধু গিয়াসউদ্দিন আল মামুন ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৮৪৩ টাকা নেন। সিঙ্গাপুরে এই টাকা লেনদেন হয়। এরপর গিয়াসউদ্দিন ওই অর্থ সিঙ্গাপুরের সিটি ব্যাংক এনএতে তার নিজের ব্যাংক হিসাবে জমা করেন। এই টাকার মধ্যে তারেক রহমান তিন কোটি ৭৮ লাখ টাকা খরচ করেন। এ ছাড়া গিয়াসউদ্দিন আল মামুন ছয় কোটি এক লাখ ৫৭ হাজার টাকা তার বৃটেনের ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করেন।

মইনুদ্দীন-ফখরুদ্দীন সরকারের আমলে দুর্নীতির দায়ে খালেদা জিয়ার সঙ্গে গ্রেফতার হন তাঁর বড় ছেলে তারেক রহমান। ১১ সেপ্টেম্বর  ২০০৮ সালে হাইকোর্টের  নির্দেশে জামিন পেয়ে চিকিৎসার  উদ্দেশে পাড়ি দেন লন্ডনে । পরে নিম্ন আদালত তাঁর জামিন বাতিল করে। তিনি আদালতে হাজিরা না পেয়ে ৮ আগস্ট ২০১১ সালে তাকে পলাতক দেখিয়ে মামলার অভিযোগ গঠন করা হয় এবং তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ও মাল ক্রোকের পরোয়ানা জারি করা হয়।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ