নগরীর বন্দর এলাকায় যুবলীগ কর্মী মো. মহিউদ্দিনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি হাজী ইকবাল আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। ১০ সেপ্টেম্বর অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মহিউদ্দীন মুরাদের আদালতে তিনি আত্মসমর্পণের পর আদালত হাজী ইকবালকে কারাগারে প্রেরণ করেন। হাজী ইকবাল দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। গত ২২ জুলাই যুবলীগ কর্মী মহিউদ্দীন হত্যায় হাজী ইকবালসহ ২০ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় বন্দর থানা পুলিশ।
অভিযোগপত্রে আসামি স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা হাজী ইকবাল, তার ভাই মুরাদ, বিপ্লব, ডিউক, আজাদ, শেখ মহিউদ্দিন, মাহিব, আজগর, জিসান সহ মোট ২০ জনকে আসামি করা হয়। আসামিদের মধ্যে ৯ জন কারাগারে ছিলেন। হাজী ইকবালসহ ১১ জন আসামি পলাতক ছিলেন। গত ২৬ মার্চ নগরের সল্টগোলা ক্রসিংয়ের মেহের আফজাল উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের একটি সভা চলাকালীন প্রধান শিক্ষকের রুমে ঢুকে যুবলীগ কর্মী মো. মহিউদ্দিনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে নৃশংসভাবে খুন করা হয়।
যুবলীগ কর্মী মহিউদ্দিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে হাজী ইকবালের বিরুদ্ধে প্রায় সময় স্ট্যাটাস দিতেন। এর দ্বন্দ্ব থেকেই মহিউদ্দিনকে খুন করা হয়েছে বলে ধারণা পুলিশের।




