শনিবার, অক্টোবর ২৪, ২০২৬
প্রচ্ছদচট্রগ্রাম প্রতিদিনতাসফিয়া খুনে তৃতীয় পক্ষের সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তাসফিয়ার বাবা

তাসফিয়া খুনে তৃতীয় পক্ষের সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তাসফিয়ার বাবা

নগরের আলোচিত স্কুলছাত্রী তাসফিয়া আমিন হত্যায় তৃতীয় কোনো পক্ষের ইন্দন আছে কি না তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তাসফিয়ার বাবা মোহাম্মদ আমিন। ২১ মে দুপুরে নগরের চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান তিনি। লিখিত বক্তব্যে তাসফিয়ার বাবা মোহাম্মদ আমিন বলেন, ‘তাসফিয়া হত্যাকাণ্ডের বিচার নির্ভর করছে ভিসেরা রিপোর্টের ওপর তাই এই রিপোর্ট যেন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়। বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে তৃতীয় কোনো পক্ষের ইন্দন আছে কি না বা পরোক্ষভাবে সম্পর্কিত কি না তা খতিয়ে দেখার জন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

আদালতের প্রতি আদনানের রিমান্ড মঞ্জুরের অনুরোধ জানিয়ে মোহাম্মদ আমিন বলেন, অপরাধীদের বয়স বিবেচনা না করে তাদের অপরাধ বিবেচনা করে পুনরায় রিমান্ড মঞ্জুর করে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের সুযোগ দিন। সংবাদ সম্মেলনে তাসফিয়ার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার জাহেদুল ইসলাম বলেন, তাসফিয়ার ময়নাতদন্তের ভিসেরা রিপোর্ট পেতে বিলম্ব হচ্ছে। ভিসেরা রিপোর্ট পেলে এ মামলার রহস্য উন্মোচন হবে। গত ০২ মে সকালে স্থানীয়দের খবরে নগরের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের ১৮ নম্বর ব্রিজঘাটের পাথরের ওপর থেকে সানসাইন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্রী তাসফিয়া আমিনের (১৬) মরদেহ উদ্ধার করে পতেঙ্গা থানা পুলিশ।

পরে একই দিন সন্ধ্যায় নগরের খুলশী থানার জালালাবাদ হাউজিং সোসাইটি এলাকা থেকে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাসফিয়ার বন্ধু আদনান মির্জাকে আটক করে। আটক আদনান মির্জা বাংলাদেশ ‍এলিমেন্টারি স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র এবং ব্যবসায়ী ইস্কান্দার মির্জার ছেলে। এ ঘটনায় ০৩ মে তাসফিয়ার বাবা বাদী হয়ে আটক আদনান মির্জাকে প্রধান আসামি করে পতেঙ্গা থানায় ৬ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ