রবিবার, আগস্ট ১৬, ২০২৬
প্রচ্ছদটপমুক্তিযুদ্ধবিরোধী কোনো ব্যক্তি ও দল যেন নির্বাচনে অংশ না নিতে পারে :...

মুক্তিযুদ্ধবিরোধী কোনো ব্যক্তি ও দল যেন নির্বাচনে অংশ না নিতে পারে : তরীকত ফেডারেশন

মুক্তিযুদ্ধবিরোধী কোনো ব্যক্তি ও দল যেন নির্বাচনে অংশ না নিতে পারে, সে বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নিতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ তরীকত ফেডারেশন। বুধবার বেলা ১১টায় নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপে বসে এ পরামর্শ দেয় দলটি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে. এম. নুরুল হুদার সভাপতিত্বে ওই সংলাপে অংশ নেয় তরীকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বাশার মাইজভাণ্ডারীর নেতৃত্বে ১৬ সদস্যের একটি  প্রতিনিধিদল। সংলাপ শেষে নজিবুল বাশার মাইজভাণ্ডারী সাংবাদিকদের বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ব্যক্তি ও দল যাতে নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করতে পারে, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়াসহ ১২টি প্রস্তাবনা দিয়েছি। এ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন চাই। স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে তাদের নিয়োগ দিতে হবে।’

তরীকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান বলেন, ‘সংবিধানের বাইরে যাব না। এ সরকারের অধীনে সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দল নিয়ে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করে এর অধীনে নির্বাচন করতে হবে। তরীকত ফেডারেশনের প্রস্তাবনার মধ্যে রয়েছে—নির্বাচনের সময় কোনো অপশক্তি জঙ্গি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে পরিবেশ বিঘ্নিত করতে না পারে, জনগণের মালামাল ও নিরাপত্তা গ্রহণের জন্য ইসির তত্ত্বাবধানে স্বরাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন করা। নির্বাচনী ব্যয় ২৫ লাখ থেকে বাড়িয়ে ৫০ লাখ করা। ভোট গ্রহণে ইভিএম পদ্ধতি চালু করা। রোহিঙ্গারা যাতে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না হতে পারে, সে ব্যবস্থা গ্রহণ করা। নির্বাচনে  কালো টাকা ও পেশিশক্তির ব্যবহার রোধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা। সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক মতাদর্শিক দল নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করা। তফসিল ঘোষণার ৬০ দিন আগে ভোটার তালিকা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা। দলগুলো সড়ক বন্ধ করে যেন সভা-সমাবেশ করতে না পারে, সে ব্যবস্থা নেওয়া।

আজ বিকেলে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) সঙ্গে ইসির সংলাপ থাকলেও দলটি বিশেষ কারণে আসতে পারবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে। ইসির কাছে দলটি অন্য দিন সংলাপের সময় চেয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ