একটি গোয়েন্দা সংস্থার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, মিনহাজুল ও মাহবুব নামে দুই জঙ্গি রোববার কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন। মুক্তির পর কারাফটক থেকে তাদের ধরে নিয়ে গিয়েছিল একটি বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা। তবে অভিযানে নিহতরা এই দুজনই কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মুফতি মাহমুদ জেএমবির দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠনের কয়েকজন এখানে মিলিত হয়ে নাশকতার পরিকল্পনা করে বলে আমাদের কাছে খবর ছিল। এখানে কি দুজনই ছিল- সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের সদস্যরা চারপাশ ঘিরে রেখেছিল। কারও পালানোর সুযোগ ছিল না। জঙ্গিদের ছোড়া বোমায় র্যাবের এক সদস্য আহত হন বলে মুফতি মাহমুদ জানান।
পরে র্যাবের বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলটি পরিত্যক্ত ঘরটির ভেতরে-বাইরে তল্লাশি চালায়। সেখান থেকে পুস্তিকাসহ বোমা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামও বের করেন র্যাব সদস্যরা। মুফতি মাহমুদ জানান, ঘরের ভেতরে চারটি গ্রেনেড, একটি পিস্তল ও পাঁচ রাউন্ড গুলি পাওয়া যায়। ঘরের বাইরের জমিতে পাওয়া একটি ব্যাগ থেকে বোমা তৈরির বিপুল সরঞ্জাম ও জেএমবির কাগজপত্র পাওয়া যায় বলেও জানান তিনি।




