শনিবার, অক্টোবর ২৪, ২০২৬
প্রচ্ছদজাতীয়সোমবার মধ্যরাত থেকেই শেষ হচ্ছে সব ধরনের প্রচার-প্রচারণা

সোমবার মধ্যরাত থেকেই শেষ হচ্ছে সব ধরনের প্রচার-প্রচারণা

প্রথমবারের মতো দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া পৌর নির্বাচনে  সোমবার মধ্যরাত থেকেই শেষ হচ্ছে সব ধরনের প্রচার-প্রচারণা। শেষ মুহূর্তে ভোটারদের মন জয় করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা। দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। দেশের ২৩৪টি পৌরসভায় জনপ্রতিনিধি নির্ধারণে ভোটের অপেক্ষায় রয়েছেন ভোটাররা। আর একদিন পর বুধবার এসব পৌরসভায় একযোগে ভোট হবে। এ উপলক্ষে ওই দিন নির্বাচনী এলাকাগুলোতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। সাত বছর পর এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ অন্তত ১৯টি রাজনৈতিক দল নিজস্ব প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। মেয়র পদে ৯৪৫ জনসহ মোট ১২ হাজারেরও বেশি প্রার্থী এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনে আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আজ সকাল থেকে মাঠে নামছেন পুলিশ, এপিবিএন, র‌্যাব, বিজিবি ও কোস্টগার্ডের লক্ষাধিক সদস্য। তারা মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নির্বাচনী এলাকায় টহল দেবেন। এছাড়াও মাঠে থাকছেন ১ হাজার ২০৪ জন নির্বাহী ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। এছাড়া আজ মধ্যরাতের মধ্যে বহিরাগতদের নির্বাচনী এলাকা ছাড়তে হবে। এক্ষেত্রে প্রয়োজনে এলাকায় মাইকিং করে জানিয়ে দেবেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। ইসি কর্মকর্তারা জানান, অধিকাংশ রিটার্নিং কর্মকর্তা উদ্বেগ প্রকাশ করে অতিরিক্ত নিরাপত্তার জন্য বিজিবি মোতায়েনের চাহিদাপত্র দেন। চাহিদা অনুযায়ী ২২৯ পৌরসভায় বিজিবি মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। ছয় উপকূলীয় পৌরসভা- মুলাদী, মেহেন্দিগঞ্জ, সন্দ্বীপ, হাতিয়া, রামগতি ও পাথরঘাটায় কোস্টগার্ড থাকবে। ভোটার ও প্রার্থীদের নিরাপত্তা বিবেচনা করে শেষ মুহূর্তে বিজিবি সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর এ সিদ্ধান্ত নেয় ইসি। কমিশন জানায়, নির্বাচন উপলক্ষে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পৌরসভায় বিশেষ নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে বিজিবি-র‌্যাব-কোস্টগার্ড ও পুলিশ। ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোট দেয়া, ফলাফল ঘোষণা ও নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা প্রতিরোধে এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যে মেয়র, সাধারণ ও সংরক্ষিত পদের ব্যালট পেপার, সিল, ফরম প্যাকেট ও অন্যান্য নির্বাচন সামগ্রী নির্বাচনী এলাকায় পৌঁছেছে। শেষ হচ্ছে সব ধরনের প্রচার-প্রচারণা : ৯ ডিসেম্বর থেকে পৌর এলাকাগুলোতে শুরু হয় নির্বাচনী প্রচারণা। ১৪ ডিসেম্বর থেকে প্রতীক নিয়ে প্রচার চালিয়ে আসছেন প্রার্থীরা। হামলা-মারধরের অভিযোগের মধ্যেও পৌরসভাগুলোতে বেশ জমজমাট প্রচার চালিয়েছেন প্রার্থীরা। কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, সোমবার মধ্যরাত থেকে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় কোনো ব্যক্তি জনসভা আহ্বান, অনুষ্ঠান বা সেখানে যোগ দেয়া এবং কোনো মিছিল বা শোভাযাত্রা করতে বা সেখানে যোগ দিতে পারবে না। কেউ এ নির্দেশনা অমান্য করলে সর্বনিম্ন ৬ মাস থেকে সর্বোচ্চ ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
  • বিষয়:
  • top
আরও পড়ুন

সর্বশেষ