ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, গত বছর ৫ জানুয়ারি একটি প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। এই দিনটিকে আমরা গণতন্ত্র হত্যা দিবস হিসেবে পালন করতে চাই। এরই মধ্যে ঢাকায় জনসভা করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুমতি চেয়েছি। এখনো অনুমতি মেলেনি। শেষ পর্যন্ত যদি অনুমতি না মেলে, তারপরও বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট ওই দিন রাজপথে থাকবে। সকল প্রকার বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে জনগণের দাবি আদায়ে সচেষ্ট হবে বিএনপি।
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে অতীতের মতো এবারও ছাত্রদল মাঠে থাকবে এমন প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমরা আশা করছি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল রাজপথে তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে। কোনো বাধা বিপত্তি তাদেরকে দমাতে পারবে না। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান গণতন্ত্রের সৌন্দর্য্য-এমন মন্তব্য করে ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, চলমান সংকট নিরসনে সরকারকে খালেদা জিয়া সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দিয়েছেন। এই প্রস্তাব গ্রহণ না করলে রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমেই জনগণের দাবি আদায় করবে বিএনপি।
এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবীর খোকন, সহ স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম আলীম, ছাত্রদলের বর্তমান সভাপতি রাজিব আহসান, সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান প্রমুখ।




