ডিবি পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নাসির স্বীকার করেছে আইনজীবীকে ফোন করে তিনিই বলেছিলেন বোমা মেরে আদালত ভবন উড়িয়ে দেবেন। তবে তিনি কোন জঙ্গি সংগঠনের সাথে সম্পৃত নয়। শুধুমাত্র তার দায়ের করা জায়গাজমি সংক্রান্ত একটি মামলার রায়ের তারিখ পেছানোর কারণে তিনি এই কাজ করেছেন। জঙ্গি কার্যক্রমের সাথে তার কোনও সম্পৃক্ততা নেই বলে সে দাবি করছে।
প্রসঙ্গত, গত ১৪ অক্টোবর সকালে চট্টগ্রাম আদালতের আইনজীবী মানস দাসের মোবাইলে ফোন করে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি নিজেকে জেএমবি সদস্য পরিচয় দিয়ে বলেন, বোমা মেরে আদালত ভবন উড়িয়ে দেওয়া হবে। বিষয়টি জানাজানি হলে পুরো আদালত ভবন এলাকায় কড়া নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। আদালত এলাকায় আগত প্রতিটি ব্যক্তিকে তল্লাশি করা হয়। তল্লাশিকালে ওইদিন দুপুরে ইলিয়াস নামক এক যুবকের কাছ থেকে ৫৮ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। তখন ইলিয়াস পুলিশকে জানিয়েছিলো যে, সে সার্ভেয়ার মুরাদের কাছে জমি বিক্রির ওই টাকা নিয়ে যাচ্ছে। বোমা মেরে আদালত ভবন উড়িয়ে দেওয়া ও ৫৮ লাখ টাকা উদ্ধারের ঘটনায় তখন আদালত পাডায় তোলপাড় শুরু হয়।




