হজ ও তাবলিগ জামাত নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করায় সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর গ্রেফতার চেয়ে করা রিট আবেদনটি নিয়মিত বেঞ্চে উত্থাপন করতে বলেছেন হাইকোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি মঈনুল হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি এ কে এম সাহিদুল হকের অবকাশকালীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। ১ অক্টোবর লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেফতারের নির্দেশনা চেয়ে এ রিট আবেদনটি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. মো. ইউনুছ আলী আকন্দ। রিটে লতিফ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে মামলা ও মন্ত্রিসভা থেকে তাকে অপসারণ করারও নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিলো। ইতোমধ্যে তাকে মন্ত্রিসভা থেকে অপসারণ এবং দলীয় প্রেসিডিয়াম পদ থেকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
রিট আবেদনে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগের শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে আইন করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে রুল জারির আর্জি জানানো হয়। মন্ত্রীর বক্তব্যের বিষয়ে তদন্তের জন্য একটি বিচার বিভাগীয় কমিটি গঠনেরও নির্দেশনা চাওয়া হয় রিটে। রিটে বিবাদী করা হয়েছে, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, ঢাকা মূখ্য মহানগর হাকিম ও তথ্যপ্রযুক্তি ট্রাইব্যুনালকে।
ইউনুছ আলী বলেন, দণ্ডবিধির ২৯৫ থেকে ২৯৮ ধারায় এ জাতীয় মন্তব্যের জন্য মাত্র দুই বছর সাজার কথা আছে। তাই সাজা বাড়ানোর জন্য আইন করার নির্দেশনা চেয়েছি। আবদুল লতিফ সিদ্দিকী গত ২৯ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের পালকি পার্টি সেন্টারে যুক্তরাষ্ট্রের টাঙ্গাইল জেলা সমিতির মতবিনিময় অনুষ্ঠানে পবিত্র হজ, তাবলিগ জামাত নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন।




