খালেদা জিয়ার অন্যতম আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া জানান, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আদালতে উপস্থিত হতে না পারায় সময় চাওয়া হয়েছে। তিনি নিরাপত্তার কারণে আদালতে হাজির হতে পারেন নাই বলে তার আবেদনে উল্লেখ করেন। নানা কারণে এর আগে ৬ বার সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়ে দেওয়া হয়। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে মামলার কার্যক্রম ও মামলার বিচারক নিয়োগের প্রক্রিয়া নিয়ে করা চারটি আপিলের চলায় সর্বশেষ গত ৩ ও ১০ সেপ্টেম্বর বিচারিক আদালত সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ এক সপ্তাহ করে পিছিয়ে দিয়েছিলেন। আপিল বিভাগ দু’টি আপিল খারিজ করে দিয়েছেন এবং বাকি দু’টি শুনানির জন্য অপেক্ষমাণ। তবে সর্বোচ্চ আদালতের এ রায়ে বিচারিক মামলা দু’টি চলতে কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন, হারিছ চৌধুরীর সাবেক একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার আসামি হচ্ছেন মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল। মামলার অপর আসামি বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে তার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া আদালতে হাজিরা দেবেন।




