স্বজনরা অপেক্ষায় ছিলেন ‘যদি’ কোনোভাবে জীবিত পাওয়া যায় প্রিয় মানুষগুলোকে। কান্নায় আর প্রার্থনায় শুধু এতটুকু চাওয়া ছিল তাদের। না, ঢাকার আহসান উল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিখোঁজ চার ছাত্রের কাউকেই জীবিত উদ্ধার করা যায়নি। পাওয়া গেছে লাশ। বুধবার সকালের পর বিভিন্ন সময় সেন্টমার্টিন দ্বীপের উত্তরপশ্চিম পাশ থেকে কোস্টগার্ড ও নৌ-বাহিনীর সদস্যরা লাশগুলো উদ্ধার করেন।
কোস্টগার্ড সদর দপ্তরের পেটি অফিসার মো কামরুজ্জামান জানান, বুধবার সকালের দিকে সেন্ট মার্টিনের উত্তরপূর্ব সৈকতের আধা কিলোমিটার দূরে দুটি পাওয়া যায়। এর মধ্যে সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে একটি ও ১০টা ৫০ মিনিটে অপর জনের লাশ পাওয়া যায়।” প্রায় একই সময় আরো দুই জনের লাশ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন টেকনাফ কোস্টগার্ডের স্টেশন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কাজী হারুন উর রশীদ। তিনি জানান, উদ্ধার হওয়া লাশ নিখোঁজ সাব্বির হাসান, শাহারিয়ার রহমান, উদয় মাহমুদ ও গোলাম রহিম বাপ্পির বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
এ আগে এ ঘটনায় মারা যান মো. মোনফেরুল ইসলাম ও সাদ্দাম হোসেন। নববর্ষ উদযাপনে ৩৪ ছাত্র নিজ উদ্যোগে কক্সবাজারের সেন্টমার্টিনে গিয়েছিলেন, সোমবার দুপুরে সাগরে নামার পর নয়জন ভেসে যান। এর মধ্যে পাঁচজনকে উদ্ধার করা হলেও তার মধ্যে দুজন হাসপাতালে মারা যান। নিখোঁজ থাকে চার ছাত্র।




