স্পোর্টস ডেস্ক (বিডি সময় ২৪ ডটকম)
টেস্ট ও ওয়ানডেতে বাংলাদেশ যতটুকু পারদর্শী টি-টোয়েন্টিতে ততটাই দুর্বল। সেই দুর্বলতার পরিচয় দিয়েছে হংকংয়ের সঙ্গে দুই উইকেটে হেরে। শনিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন এমপি।
তিনি বলেন, বিশ্ব চ্যাম্পিয়ান দলগুলোর টেস্ট, ওয়ান্ডে ও টি-টোয়েন্টিতে আলাদা আলাদা কোচ ব্যবস্থা করে থাকে। শুধু তাই না তাদের খেলোয়াড়দের মধ্যেও থাকে ভিন্নতা। কিছু খেলোয়াড় থাকে টেস্টের জন্যে আর কিছু খেলোয়াড় থাকে টি-টোয়েন্টির জন্যে।
পাপন বলেন, প্রয়োজনে বাংলাদেশ দলের জন্যে টি-টোয়েন্টি উপযোগী আলাদা কোচ নেওয়া হবে। ভারত-পাকিস্তান-অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশের বিপক্ষে আমাদের প্রত্যাশা কি হওয়া উচিত এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি টি-টোয়েন্টি খেলার যে কতগুলো টেকনিক, পরিকল্পনা, দক্ষতার দরকার এ জিনিসগুলো আমরা এখনো রপ্ত করতে পারিনি।
পাপন বলেন, আমি যখন ওয়েস্ট ইন্ডিজের সভাপতিকে বললাম আপনারা তো ভালো দু’জন বোলার (স্যান্তোকি ও বাদ্রি) পেয়েছেন। তার উত্তরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সভাপতি বললেন তারা দুইজন ওয়ানডে কিংবা টেস্টে কোনোদিনও সুযোগ পাবেন না। আমাদের টি-টোয়েন্টি স্পেশালিষ্ট কে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের সব খেলার খেলোয়ার তো একই। আমি যেটা বলতে চাচ্ছি, এটা ডিফারেন্ট গেম।
আমার মনে হয় আমরা ওই জিনিসগুলো রপ্ত করতে পারিনি। এর জন্য অবশ্যই ৩/৪ জন টি-টোয়েন্টি স্পেশালিষ্ট দলে থাকা উচিত। কমপক্ষে ২ জন বোলার। ২ জন ব্যাটসম্যান। প্রয়োজন হলে টি-টোয়েন্টি খেলা চালিয়ে যারা অভ্যস্ত এদের মধ্য থেকে আলাদা কোচ নিয়োগ দেওয়া হবে। দলের যে পরিবর্তনের পক্ষে কথা বলেছেন বোর্ড সভপতি সেটা ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের আগেই হতে পারে। তিনি বলেন,‘বড় পরিবর্তন দু’ একদিনে করা সম্ভব নয়।
আমরা মনে করছি কিছু কিছু জায়গায় দুর্বলতা আছে সেই দুর্বল জায়গাগুলোতে রিপ্লেস করতে হবে। আগে খুঁজে বের করতে হবে। ওদেরকে উন্নতী করার জন্য পরিকল্পনা নিতে হবে। যদি তারা পারফর্ম করে তবেই তারা রিপ্লেসম্যান্ট পাবে। বিশ্বকাপের আগে আমাদের খুব বেশি সময় নেই। এ বিষয়গুলে নিয়ে পরবর্তী বোর্ড সভাতে আলোচনা হবে। আমরা ৪ বছরের জন্য দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহন করবো।’




