মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণ এবং শহীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরঙ্গনাদের প্রকৃত ও নির্ভুল তালিকা প্রণয়নে সর্বোচ্চ সততা, স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে কাজ করার কথা জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।
বুধবার (৭ অক্টোবর) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের তালিকা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরঙ্গনাদের প্রকৃত তালিকা প্রণয়নের কৌশল ও করণীয় নির্ধারণ’ শীর্ষক মতবিনিময় সভা শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রকৃত কোনো মুক্তিযোদ্ধা যেন তালিকা থেকে বাদ না পড়েন এবং কোনো অ-মুক্তিযোদ্ধা বা ভুয়া ব্যক্তি যেন তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না হন, তা নিশ্চিত করতে বিদ্যমান আবেদনগুলো যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করা হবে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা নিয়ে কোনো অসঙ্গতি বা বিতর্ক ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে রেখে যেতে চায় না সরকার।
তিনি জানান, ৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের পর নতুন করে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্তির আবেদন গ্রহণ করা হবে না। ইতোমধ্যে জমা পড়া আবেদনগুলো যথাযথভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। প্রয়োজনীয় যাচাই, তদন্ত ও সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদ্ঘাটনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
আহমেদ আযম খান বলেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পথে এসেও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্তির জন্য আবেদন গ্রহণের বিষয়টি চলমান থাকা কাঙ্ক্ষিত নয়। স্বাধীনতার পরপরই এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার প্রয়োজন ছিল।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জাতীয় অস্তিত্ব ও আত্মপরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এ ইতিহাসে কোনো ধরনের অসত্য, বিভ্রান্তি বা অসঙ্গতি থাকা উচিত নয়। প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ মর্যাদা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নির্ভুলভাবে সংরক্ষণ করা সরকারের দায়িত্ব।




