স্পোর্টস ডেস্ক (বিডি সময় ২৪ ডটকম)
তিন মোড়লের সংস্কার প্রস্তাবনা কেড়ে নিতে চলেছে বাংলাদেশের টেস্ট স্ট্যাটাস।ক্রিকেটের বনেদি ফরমেটে খেলা চালিয়ে যাওয়ার অধিকার হারাতে চলেছেন তামিম-সাকিবরা।এমনই সব দু:সংবাদ ও দুশ্চিন্তা মাথায় নিয়ে ঢাকা টেস্ট খেলতে নেমেছিল মুশফিকবাহিনী।তাই ফলও হয়েছে যাচ্ছেতাই।তবে ঢাকা টেস্ট শেষেই টাইগার দলপতি বলেছিলেন,চট্টগ্রামে আবার হুঙ্কার দিতে চায় তার দল।আর হয়েছেও তা।কথা রেখেছেন ইমরুল-মমিনুলরা।চট্টগ্রাম টেস্ট জিততে না পারলেও লংকানদের সঙ্গে শেষ দিন পর্যন্ত পাল্লা দিয়ে লড়েছে তারা।আর তাতেই ড্র হয়েছে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট।পঞ্চম দিনের খেলা শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৩ উইকেটে ২৭১ রান।
হাতে ১০ উইকেট ও জয় থেকে ৪৫৫ রান দূরে থেকে শেষদিন শুরু করেছিল বাংলাদেশি ব্যাটাররা।আগের দিন ইমরুল সংবাদ সম্মেলনে এসে জানিয়েছিলেন,ম্যাচ ড্রয়ের উদ্দেশ্যেই শনিবার মাঠে নামবে তার দল।আর দিনের শুরুতে তামিম ও শুভর ব্যাটিংয়ে ইমরুলের কথার স্পষ্ট ছাপ দেখা গেছে।বেশ দেখেশুনেই ব্যাট চালাতে থাকেন এ দুজন ।তবে বিরতিতে যাওয়ার অল্প আগেই ধৈর্য্যচ্যুতি ঘটে দু ওপেনারের।উদ্বোধনী জুটিতে ৭১ রান যোগ করার পর দলীয় ৮১ রানের মধ্যে সাজঘরে ফিরে যান তামিম(৩১) ও ও শুভ(৪৫)।এরপর অবশ্য মমিনুলের সঙ্গে ৭০ রানের জুটি গড়ে দলকে বিপদমুক্ত করেছেন ইমরুল।তবে দলীয় ১৫১ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ২৫ রান আউট হন তিনি।
দিনের বাকিটা সময়ে অবশ্য সাকিব-মমিনুল দাপট দেখেছেন জহুর আহমেদ চেীধুরি স্টেডিয়ামের দশৃকরা।এ দুজনের দৃঢ়তায় ৩ উইকেটে ২০৪ রান নিয়ে চা বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।বিরতি থেকে ফিরে বেশ চালিয়েই ব্যাট করতে থাকেন এ দুজন।নিজেদের মধ্যকার জুটিটাকেও শতক ছাড়িয়ে নিয়ে যান তারা।দিনের খেলা আরোও প্রায় ১৪ ওভার বাকি থাকতেই ক্যারিয়ারের তৃতীয় টেস্ট শতক পূর্ণ করেন মমিনুল।আর তখনই দুদলের অধিনায়ক ড্র মেনে নেন।ফলে অমিমাংসিতভাবেই শেষ হয় চট্টগ্রাম টেস্ট।১৬৭ বলের মোকাবেলায় ১১ চারে মমিনুল তার ইনিংসটি সাজান।অন্যদিকে,সাকিব অপরাজিত ছিলেন ৪৩ রানে।লংকান স্পিনার দিলরুয়ান পেরেরা ৫৫ রানে ২ উইকেট নেন।প্রথম ইনিংসে ট্রিপল সেঞ্চুরির পর দ্বিতীয় ইনিংসে শতক হাঁকানোয় ম্যাচসেরার খেতাব অবশ্য জিতেছেন সাঙ্গাকারা।এছাড়া সিরিজ জুড়ে ধারাবাহিক পারফরমেন্সের সুবাদে সিরিজ সেরার খেতাবটিও গেছে লংকান এ বাহাতি ব্যাটারের দখলে।




