জেন-জিদের আন্দোলন ও বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করেছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। টানা দুইদিনের বিক্ষোভের মুখে পদ থেকে সরে গেলেন তিনি। আজ (মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর) তিনি পদত্যাগ করেন।কেপি শর্মা ওলি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, চলমান সংকটের সংবিধানসম্মত সমাধানের পথ সুগম করার জন্য তিনি পদত্যাগ করেছেন।
তিনি বলেন, রাজধানীসহ সারা দেশে সোমবারের বিক্ষোভ ও পরবর্তী ঘটনাগুলো আমাকে দুঃখিত করেছে। কোনো ধরনের সহিংসতা দেশের স্বার্থে ভালো নয়। শান্তিপূর্ণ ও আলোচনাভিত্তিক সমাধানই এখন প্রয়োজন। এর আগে দেশটির সেনাবাহিনী প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগ করার আহ্বান জানায়। এদিকে গুরুতর পরিস্থিতি এবং নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কারণে নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। ফ্লাইট বাতিলের ঘটনায় যাত্রীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সময় দুপুরের পর থেকে আন্তর্জাতিক ও দেশিয় ফ্লাইটের উড্ডয়ন বন্ধ রয়েছে। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্ট।
এর আগে (সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর) নেপালের সংসদ ভবনে প্রবেশের সময় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভরত তরুণদের সংঘর্ষ হয়। এতে ১৯ জন নিহত এবং শতাধিকের বেশি আহত হয়। এ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওপর দেয়া নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় দেশটির সরকার।
এনডিটিভিসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম জানিয়েছে, মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে নেপাল। কারফিউ উপেক্ষা করেই দেশটির প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে চলে আন্দোলন। এর মধ্যেই প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আগুন দেয়ার ঘটনাও ঘটে। এছাড়া পার্লামেন্ট ভবনে ঢুকে সেখানে বিক্ষোভকারীরা আগুন দিয়েছেন বলেও খবর পাওয়া যায়। পরে বন্ধ করে দেয়া হয় বিমান চলাচলও।




