নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ধুয়ে-মুছে ছাপ করা হয়েছে। টানা তিন মাস বন্ধ থাকার পর শনিবার সন্ধ্যায় দলটির সহ-দফতর সম্পাদক আসাদুল করিম শাহীনসহ মাঠ পর্যায়ের কয়েকজন নেতা-কর্মী ও অফিস স্টাফ তালা ভেঙে কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। দীর্ঘদিন কার্যালয়টিতে মানুষের আনা-গোনা না থাকায় ফ্লোর, চেয়ার-টেবিল, ফাইল কেবিনেট, কম্পিউটার, বিছানাপত্র, দরজা-জানালা, বাথ-কিচেনরুমে ব্যবহার্য জিনিসপত্র, লাইট-ফ্যান, দরজা-জানালার পর্দা, কাগজপত্র, আলমারি, প্রিন্টার মেশিন, এসি, শব্দযন্ত্র, টেলিভিশন, দেওয়ালে টানানো জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের আলোকচিত্রসহ সব কিছুর ওপরে জমে ধূলার পুরু আস্তরণ। শনিবার সন্ধ্যায় কার্যালয়ে প্রবেশের পর রোববার বেলা পৌনে ১২টা পর্যন্ত ধোয়া-মোছার কাজ চালান বিএনপিকর্মী ও অফিস স্টাফরা।
এদিকে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মামলার হাজিরা শেষে নয়াপল্টন কার্যালয়ে আসতে পারেন-এমন গুঞ্জনের পর নয়াপল্টন কার্যালয় এবং এর আশপাশের এলাকায় পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। ইউনিফর্ম পরা পুলিশসহ অসংখ্য সাদা পোশাকের পুলিশ সেখানে অবস্থান নেন। এ ছাড়া জলকামান, রায়টকার, এপিসি, প্রিজন ভ্যানও প্রস্তুত রাখা হয় নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনের সড়কে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের দিকে যাননি বিএনপি চেয়ারপারসন। ৩ জানুয়ারি বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীকে কার্যালয় থেকে আটক করে হাসপাতালে পাঠিয়ে এর মূল ফটকে তালা মেরে দেয় পুলিশ। টানা ৯০ দিন তালাবদ্ধ থাকার পর শুক্রবার নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে থেকে সব পুলিশ প্রত্যাহার করা হয়।




