জিয়া অরফানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। একই সঙ্গে জামিন পেয়েছেন জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার অন্য দুই আসামি মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ। শুনানি শেষে রোববার এ জামিন মঞ্জুর করেন রাজধানীর বকশিবাজারে ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে স্থাপিত তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদারের অস্থায়ী আদালত। খালেদা ছাড়াও মামলাটির অপর আসামি বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তার বড় ছেলে তারেক রহমান আইনজীবীর মাধ্যমে হাজিরা দিতে পারবেন বলেও আদেশ দিয়েছেন আদালত।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দুই দুর্নীতি মামলার শুনানিতে সকালে আদালতে হাজির হন খালেদা। তার পক্ষে জামিনসহ মোট চারটি আবেদন জানান তার আইনজীবীরা। খালেদা জিয়াসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে জারি থাকা গ্রেফতারি পরোয়ানা বাতিল করে খালেদার পক্ষে দুই মামলায় জামিনের আবেদন দু’টি জানানো হয়। অন্য দুই আসামি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদও আদালতে হাজির হয়েছেন।
প্রথমে জামিনের আবেদনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। জামিনের আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এজে মোহাম্মদ আলী। তার সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মাহবুবউদ্দিন খোকন, সানাউল্লাহ মিয়া, আমিনুল ইসলামসহ অনেকে। তবে জামিনের আবেদনের বিরোধিতা করেননি দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল। আইনজীবীর মাধ্যমে হাজিরের বিষয়ে আপত্তি নেই বলেও শুনানিতে জানান তিনি। দীর্ঘদিন ধরে শুনানিতে অনুপস্থিত থাকায় গত ২৫ ফেব্রুয়ারি এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। গত ৪ মার্চ শুনানি শেষে দুই দুর্নীতি মামলায় প্রধান আসামি খালেদা জিয়াসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা বহাল রাখেন আদালত।




