সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর বন্দর এলাকা থেকে র্যালি বের হয়। অগ্রভাগে ছিল অর্ধশতাধিক মোটর সাইকেল। একটি ট্রাকে আ জ ম নাছির উদ্দিন এবং এম এ লতিফ অবস্থান নিয়ে র্যালিতে নেতৃত্ব দেন। র্যালিটি বারিক বিল্ডিং মোড়, আগ্রাবাদ, চৌমুহনি, দেওয়ানহাট, টাইগারপাস, লালখান বাজার, ওয়াসা, আলমাস, কাজির দেউড়ি, জামালখান, চেরাগি মোড়, আন্দরকিল্লা ঘুরে লালদিঘির পাড়ে গিয়ে শেষ হয়।
র্যালিটি কাজির দেউড়ির মোড় পর্যন্ত আসার পর তাদের নাসিমন ভবনের দিকে যেতে না দিয়ে জামালখানের দিকে ঘুরিয়ে দেয় পুলিশ। এসময় কাজির দেউড়ির মোড়ে র্যাব-পুলিশের শতাধিক সদস্য অবস্থান নেন। বিজিবি’র টিমও পুরো এলাকায় টহল দিতে থাকে। ঘটনাস্থলে থাকা নগর পুলিশের কোতয়ালি জোনের সহকারি কমিশনার শাহ মো.আব্দুর রউফ বাংলানিউজকে বলেন, র্যালি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে। কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। শতাধিক ট্রাক নিয়ে বের হওয়া এ র্যালিতে আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন সহযোগি সংগঠনের কয়েক হাজার নেতাকর্মীকে দেখা গেছে। র্যালিতে উপস্থিত নেতাকর্মীরা সবাই এম এ লতিফের সংসদীয় এলাকার এবং তার অনুসারি। ট্রাকে সাউন্ডবক্সে বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ভাষণ বাজানো হয়। ব্যান্ডের তালে তালে বাজছিল দেশাত্মবোধক গানও। নেতাকর্মীদের হাতে হাতে ছিল লাঠি। ট্রাকে ব্যানারে লেখা ছিল ‘মহাজোট সরকারের বর্ষপূর্তি ও গণতন্ত্র রক্ষা দিবস’ উপলক্ষে র্যালি। এদিকে বিকেলে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ নগরীর লালদিঘি ময়দানে সমাবেশ ও র্যালি করার ঘোষণা দিয়েছে।




