মামলা সূত্রে জানা যায়, নগরকান্দি গ্রামের ইকু বিশ্বাসের স্ত্রী লতিফা বেগমের সঙ্গে প্রতিবেশী মনির মোল্লার পরকিয়া সম্পর্ক ছিল। একদিন ইকু বিশ্বাস বোনের টাকা হারিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে তার স্ত্রী লতিফাকে মারধর করেন। এ ঘটনায় মনির মোল্লা ও তার বোন নাজমা ক্ষিপ্ত হয়ে ইকু বিশ্বাসের দেড় বছরের শিশুপুত্র সাহেব আলী ডিপজলকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।
২০০৫ সালের ১২ এপ্রিল রাতে লতিফা তার ছেলেকে নিয়ে নিজেদের ঘরে ঘুমাচ্ছিলেন। আর ইকু বিশ্বাস ওই ঘরের বারান্দায় এসে ঘুমাচ্ছিলেন। পরদিন সকালে (১৩ এপ্রিল) সকালে বাড়ির কাছের বেড়িবাঁধের পাশে একটি পুকুরে ডিপজলের লাশ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ওই দিনই মোল্লাহাট থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়।
কিন্তু লাশের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট থেকে জানা যায় যে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছিল। এরপর ওই বছরের ২৯ আগস্ট ইকু বিশ্বাস বাদী হয়ে মনির ও তার বোন নাজমার নামে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোল্লাহাট থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. নজিবুল হক ২০০৬ সালের ১০ মে লতিফাসহ ওই তিনজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগ পত্র (চার্জসিট) দাখিল করেন। সাতজনের সাক্ষ গ্রহণ ও দীর্ঘ শুনানি অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সোমবার আদালত এই রায় দেন।




