ষ্টাফ রিপোর্টার (বিডিসময়২৪ডটকম)
বাংলাদেশ-মায়ানমারের সীমান্ত অঞ্চল আরাকানে বাংলাদেশি মোবাইল অপারেটরের হাজার হাজার সিমকার্ড রয়েছে। আর এসব সিমকার্ডের অধিকাংশ ব্যবহারকারী বাংলাদেশের সন্ত্রাসীদের সঙ্গে চোরাকারবার এবং মাদকদ্রব্য বিনিময় করে থাকেন।
সীমান্ত এলাকার কয়েকটি সূত্র থেকে জানা যায়, গ্রামীনফোন, রবি, সিটিসেল এবং এয়ারটেলের অনিবন্ধিত এসব সিমকার্ড ব্যবহার করে সন্ত্রাসীরা বাংলাদেশে অস্ত্র এবং ইয়াবা পাচার করেন। মায়ানমারের সন্ত্রাসীচক্র এবং স্থানীয়দের বাংলাদেশি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সারাবিশ্বে যোগাযোগ স্থাপন, বাংলাদেশের জন্য বড় ধরনের একটি হুমকি হয়ে দেখা দিতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
মোবাইল অপারেটর রবির একটি ‘কাস্টমার কেয়ার’ জানায়, মায়ানমারে বাংলাদেশের বিভিন্ন কোম্পানির প্রায় ৫০,০০০ অবৈধ বাংলাদেশি সিমকার্ড রয়েছে। সূত্র আরো জানায়, এইসব সিমকার্ড বেশ কয়েকবছর আগে দেশটিতে নেয়া হয়েছে। মায়ানমারে বাংলাদেশি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ ৪২-বিজিবির কর্মকর্তা আবুজের আল জাহিদ।
উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানাবেন এমন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ব্যাপারটা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।’
কক্সবাজারের ডেপুটি কমিশনার মোহাম্মদ রাহুল আমিন বলেন, ‘সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা বাড়াতে এবং চোরাকারবারি ঠেকাতে তাড়াতাড়ি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’ মোবাইল অপারেটরগুলোকে এ বিষয়ে অবহিত করা হবে এমন ইঙ্গিতও দেন তিনি, ‘কোম্পানিগুলোকে তাদের নেটওয়ার্ক-ফ্রিকোয়েন্সি কমাতে বলা হবে।’




