মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৭, ২০২৬
প্রচ্ছদজাতীয়জিয়াউর রহমানের ৭৮তম জন্মবার্ষিকী আজ

জিয়াউর রহমানের ৭৮তম জন্মবার্ষিকী আজ

ষ্টাফ  রিপোর্টার  (বিডিসময়২৪ডটকম)

রবিবার বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৭৮তম জন্মবার্ষিকী। এ উপলক্ষে সকাল ১০টায় শেরেবাংলা নগরের শহীদ জিয়ার মাজারে দলের শীর্ষ নেতারাসহ সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।

শনিবার বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক মো. আব্দুল লতিফ জনি স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বিএনপি এবং এর সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীকে যথাসময়ে শহীদ জিয়ার মাজার প্রাঙ্গনে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

সকালে শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের মাজারে ফাতেহা পাঠ ও পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং মিলাদের আয়োজন করা হয়েছে। এতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে শহীদ জিয়ার মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। এছাড়া ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাতেও অংশ নেবেন তিনি।

মাজার প্রাঙ্গণে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) উদ্যোগে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির আয়োজন করা হবে। দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ দেয়া হবে।
একই সঙ্গে সারাদেশে দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এদিকে জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার বিএনপির পক্ষ থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এছাড়াও জাতীয় দৈনিক পত্রিকাগুলোতে প্রকাশ করা হবে বিশেষ ক্রোড়পত্র। দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোও নিজেদের মতো করে এ কর্মসূচি পালন করবে বলে জানা গেছে।
১৯৩৬ সালে ১৯ জানুয়ারি বগুড়ার বাগবাড়ীতে জন্মগ্রহণ করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাতা ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেনানায়ক জিয়াউর রহমান। তার বাবা মনসুর রহমান একজন রসায়নবিদ হিসেবে কলকাতাতে সরকারি চাকরি করতেন। তাঁর শৈশবের কিছুকাল বগুড়ার গ্রামে ও কিছুকাল কলকাতায় কেটেছে। দেশ বিভাগের পর (১৯৪৭) তার বাবা করাচি চলে যান। তখন জিয়া কলকাতার হেয়ার স্কুল ত্যাগ করেন এবং করাচি একাডেমী স্কুলে ভর্তি হন। ১৯৫৩ সালে তিনি ঐ স্কুল থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা দেন এবং তারপর করাচিতে ডি.জে. কলেজে ভর্তি হন।
জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান এবং একজন প্রথমসারির মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য তিনি বীর উত্তম খেতাব পান।
স্বাধীনতা যুদ্ধে জিয়াউর রহমান, যুদ্ধ পরিকল্পনা ও তার বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৭১-এর জুন পর্যন্ত ১ নং সেক্টর কমান্ডার ও তারপর জেড-ফোর্সের প্রধান হিসেবে তিনি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বের জন্য তাকে বীর উত্তম উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
উল্লেখ্য, জিয়াউর রহমান ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ‘সিপাহী জনতার বিপ্লবের’ মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে অধিষ্ঠিত হন। তিনি ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠা করেন। তার প্রতিষ্ঠিত দলটি তিনবার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ছিল।
আরও পড়ুন

সর্বশেষ