সোমবার, এপ্রিল ২২, ২০২৪
প্রচ্ছদঅর্থ ও বানিজ্য সময়‘এবারের বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা কঠিন’

‘এবারের বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা কঠিন’

2013-06-01 budgetরাজনৈতিক অস্থিরতার জেরে প্রেক্ষাপট ভিন্ন হওয়ায় এবারের বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ কঠিন হতে পারে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। এদিকে, নির্বাচনী বছরে নতুন বাজেটে প্রত্যাশা থাকলেও অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে প্রাপ্তির ঝুড়ি পূর্ণ হবে না। সার্বিক মূল্যায়নে সমাপ্ত প্রায় অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৬% এর কম হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পাশাপাশি রাজস্ব আদায়ে ৩-৪ হাজার কোটি টাকা ঘাটতি থাকতে পারে।

গত বছরের ৭ জুন বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী। বেশ উচ্চাশা নিয়েই জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৭.২% নির্ধারণ করেন। রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ১২ হাজার ২৫৯ কোটি টাকা ধরা হয়।

সব উচ্চাশাই রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার জেরে ফিকে হতে শুরু করে। দিনের পর দিন হরতাল আর ভাঙচুরে যান চলাচল ব্যহত হয়। পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ে। স্থল ও সমুদ্র বন্দরের কার্যক্রমে ছেদ পড়ে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ কমতে শুরু করে।

আর চলতি অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৬% এর বেশি হবে না বলে ধারণা দিয়েছে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা। গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট-পিআরআই মনে করে প্রবৃদ্ধি এর বেশি হবে না। আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় অভ্যন্তরীণ চাহিদা কমে যাওয়ার এর সরাসরি প্রভাব পড়বে সমাপ্ত প্রায় ও নতুন অর্থবছরের বাজেটে।  পিআরআইয়ের নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান মনসুর বলেন, ‘প্রবৃদ্ধি ৬ এর কম হবে, অভ্যন্তরীণ চাহিদা অনেক কমে গেছে, বিরাট প্রাপ্তির আকাঙ্খা পূরণ হবে না।’

রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা বাড়লে নতুন অর্থবছরের জন্য আরো বেশি চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। অন্যদিকে, নির্বাচনী বছর হওয়ায় নতুন বাজেট ৩টি সরকারের হাত ঘুরবে। সেক্ষেত্রে বাস্তবায়নে ঝুঁকি বাড়তে পারে বলেও মনে করে পিআরআই। ড. আহসান মনসুর বলেন, ‘প্রেক্ষাপট ভিন্ন, ৩টি সরকার সম্পৃক্ততা থাকবে, অস্পষ্টতা ও ডাউন সাইড রিস্ক থাকবে।’

রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রেও বড় সুখবর নেই। প্রথমবারের মতো রাজস্ব বোর্ড ঘাটতির মুখে পড়তে যাচ্ছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা ঘাটতি রয়েছে। নতুন অর্থবছরের পরিকল্পনা ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়। কিন্তু বিশাল এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন দুরূহ হতে পারে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ