সোমবার, মে ২৭, ২০২৪
প্রচ্ছদজাতীয়রেলকে লাভজনক করতে বাজেট ও সঠিক পরিকল্পনা নিশ্চিতের পরামর্শ

রেলকে লাভজনক করতে বাজেট ও সঠিক পরিকল্পনা নিশ্চিতের পরামর্শ

Train Demuএক সময় যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ছিল রেল। আর গতি আনতে বর্তমান সরকার রেলের জন্য সৃষ্টি করেন আলাদা মন্ত্রণালয়। সড়কের তুলনায় নিরাপদ ও কম ব্যয়বহুল রেল যোগাযোগ। তারপরও অর্থ বরাদ্দে পিছিয়ে রেল। এ অবস্থায় বিশ্লেষকরা বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি, এ খাতের সঠিক উন্নয়ন পরিকল্পনা নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়েছেন। তৌহিদ হোসেনের রিপোর্ট।

‘বাংলাদেশ ট্রান্সপোর্ট স্টাডি’ অনুযায়ী, দেশের পরিবহন খাতে সুষম উন্নয়নের কথা বলা হলেও, বরাবরই রেল খাতকে অসুস্থ দেখিয়ে সুবিধা দেয়া হয়েছে সড়ক খাতকে। ফলে প্রায় প্রতি অর্থ বছরই রেলের বাজেটকে কাটছাট করা হয়েছে।

১৯৭৩-৭৪ অর্থবছরে পরিবহন খাতে মোট বরাদ্দের মাত্র ২৪ ভাগ পায় রেল।আশির দশকে বরাদ্দ সমান থাকলেও, ২০০০ সাল পরবর্তী সময়ে পরিবহন খাতে মোট বরাদ্দের ৭০ ভাগ পায় সড়ক। বাকিটা বণ্টন হয় রেল ও নৌ খাতে। ২০১১-১২ অর্থ বছরে ৩ হাজার ৭শ’ ৯১ কোটি টাকা বরাদ্দ পেলেও, ২০১২-১৩ অর্থ বছরে প্রথমবারের সড়কের তুলনায় প্রায় ৬শ’ ৫৪ কোটি টাকা বেশি বরাদ্দ পায় রেল খাত। কিন্তু, তারপরও গত অর্থবছরে ৭শ’ ৫৮ কোটি টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে রেলকে। এ অবস্থায় বিকল্প মাধ্যম হিসেবে রেল আসলে কতটা প্রস্তুত তা নিয়ে বিশ্লেষকদের মাঝে রয়েছে মতপার্থক্য।  বিআইডিএস’র রিসার্চ ফেলো ড. আবুল বাশার বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম সড়ক খাত শত চেষ্টা সত্ত্বেও ব্যর্থ হবে।

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ড. মো. শামসুল হক বলেন, ধীর গতির ট্রেন দিয়ে সড়ক পথের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে পারা যাবে না। তাই রেলের পরিসর বাড়ানোর প্রশ্নে সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়নের তাগিদ বিশ্লেষকদের। মো. শামসুল হক বলেন, ঢাকা ও চট্টগ্রামের রেলপথ ডবল লাইনে উন্নীত করতে হবে। তাহলে অর্থনৈতিকভাবে এটি সহায়ক হবে।আবুল বাশার বলেন রেল খাতে সক্ষমতা আরো বাড়াতে রেলপথ বাড়াতে হবে। এ অবস্থায় সড়ক ও রেলের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ রপ্তানি বাণিজ্যে নৌ খাতের ব্যবহার আরো বাড়ানোর তাগিদ বিশ্লেষকদের।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ