মঙ্গলবার, মে ২১, ২০২৪
প্রচ্ছদইন্টারভিউঅর্পিত সম্পত্তি আইন প্রয়োজন হলে সংশোধন হবে: ইনু

অর্পিত সম্পত্তি আইন প্রয়োজন হলে সংশোধন হবে: ইনু

vested_webঅর্পিত সম্পত্তি প্রর্ত্যপণ সংশোধন আইনটি দরকার হলে আবার সংশোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। শুক্রবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তে আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রিসভার বৈঠকে তুলে ধরা হবে এবং দরকার হলে আইনটিতে আবারো সংশোধন করা হবে।

তিনি আরো বলেন, ‘কোনো হয়রানি ও সমস্যা ছাড়া ভোক্তার সঙ্গে ভুক্তভুগীরা যাতে সম্পত্তি ফেরত পান সেই ব্যাপারে যদি আবারো এ আইনের সংশোধন করতে হয় তাহলে আইনের সংশোধন করা হবে। এ জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিপরিষদে আপনাদের সকল পরার্মশগুলো আমি তুলে ধরার চেষ্টা করবো।’

এ সময় আমলাদের ষড়যন্ত্রের কারণে অর্পিত সম্পত্তি প্রর্ত্যপণ সংশোধন আইনটি অকার্যকর করার চেষ্টা চলছে—বলে অভিযোগ করেন আইন বাস্তবায়নে আন্দোলনরত ৯টি সংগঠনের নেতারা। এ আইনের গেজেটে নানা অসঙ্গতি রয়েছে—উল্লেখ করে ২০১৩ সালে যে সংশোধনী এনে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে তা বাতিলের দাবি জানান তারা।

ভুক্তভোগীদের পক্ষের নেতারা বলেন, যে গেজেট প্রকাশ হয়েছে তা ভুল ও বিভ্রান্তিকর। ভূমি প্রশাসনের একশ্রেণীর কর্মকর্তা ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এ কাজ করেছেন বলে অভিযোগ করেন তারা।

১৯৭৪ সাল পর্যন্ত অর্পিত সম্পত্তির তালিকা তৈরি করে অবিলম্বে তার গেজেট প্রকাশের দাবি জানান অর্পিত সম্পত্তি আইন প্রতিরোধ আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক সুব্রত চৌধুরী।

সুব্রত চৌধুরী বলেন, ‘বাৎসরিক ব্যয় ২০১৩ তারিখের সংশোধনী আমি বলবো সম্পূর্ণ জনস্বার্থ বিরোধী। সমস্ত আইনটাকে অকার্যকর করার জন্য এ সংশোধনীটা করা হয়েছে।’

হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রানা দাশগুপ্ত বলেন, ‘অতিরিক্ত গেজেট প্রকাশের নামে নতুন নতুন সম্পত্তি অর্পিত সম্পত্তি বলে হাজার হাজার মানুষকে অহেতুক হয়রানির দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। আমি এ অহেতুক হয়রানির অবসান চাই। ২০০১ সালের আইনের ৯ এর ৬ ধারা মোতাবেক যে সমস্ত সম্পত্তিগুলোর গেজেট করা হয়েছে সেগুলো বাতিল করা হোক।’

২০০১ সালে আওয়ামী লীগের আগের সরকারের সময়ে অনেকটা তড়িঘড়ি করে পাস করা হয়েছিল অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন। তখন থেকেই বিভিন্ন মহল থেকে এ আইন সংশোধনের দাবি উঠলে এরইমধ্যে ওই আইনে ৪ বার সংশোধনী আনা হয়েছে। সর্বশেষ গত মে মাসে আইনটিতে পুনরায় সংশোধনী এনে সংসদে পাস করা হয়। আইনটি কার্যকরের পাশাপাশি গেজেটও বেরিয়েছে।

অনুষ্ঠানে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজল দেবনাথ, নিজেরা করির সমন্বয়ক খুশী কবির উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ