বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২৬
প্রচ্ছদদেশজুড়েচট্টগ্রামের কাঁচাবাজারগুলো এখনো খোলা জায়গায় সরানো হয়নি

চট্টগ্রামের কাঁচাবাজারগুলো এখনো খোলা জায়গায় সরানো হয়নি

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সরকারের পক্ষ থেকে কাঁচাবাজার খোলা জায়গায় বা মাঠে সরানোর তাগিদ দিলেও চট্টগ্রামে এখনও তা বাস্তবায়নি হয়নি। ফলে করোনা ছড়ানোর ঝুঁকি রয়ে গেছে এসব বাজারে।

তবে ব্যবসায়ী সমিতির নেতাদের দাবি, চট্টগ্রাম শহরে খোলা মাঠ বা জায়গা না থাকায় বাজার সরানো যাচ্ছে না। ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা, হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করা এবং মাস্ক ব্যবহার করার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। জনসমাগম এড়াতে প্রত্যেক দোকানের সামনে গোল চিহ্ন দিয়ে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সমিতির নেতারা।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনা সংক্রমণ এড়াতে কাঁচাবাজার সরানোর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত। ব্যবসায়ীদের এসব অজুহাতের কারণে করোনা সংক্রমণ বাড়বে।

নগরের চকবাজার কাঁচাবাজার, কাজীর দেউড়ি, রেয়াজউদ্দিন বাজার ও বহদ্দারহাট কাঁচাবাজারে সবচেয়ে বেশি জনসমাগম হয়। সরেজমিনে কাজীর দেউড়ি বাজারে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার রাখার ব্যবস্থা, মাস্ক ব্যবহার করার বাধ্যতামূলক করা হলেও অন্যকোনো কাঁচাবাজারে এসব দেখা যায়নি।

চকবাজার কাঁচাবাজারে  এক ক্রেতা বলেন, কাঁচাবাজার সরানোর ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত সময়োপযোগী। প্রত্যেক দোকানে দেখা গেছে ভিড়, আমি ভিড় এড়ানোর চেষ্টা করলেও ভিড় যেনো আমায় ছাড়ে না। অধিকাংশ ব্যবসায়ীরা মাস্ক পড়েনি। একেকটি দোকানের সামনে ৪ থেকে ৫ জন দাঁড়ানো। এতে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি থেকে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, চকবাজারের কাঁচাবাজার প্যারেড মাঠে সরানো যায়। ব্যবসায়ীরা যে অজুহাত দিচ্ছেন তা ঠুনকো।

কাজীর দেউড়ি বাজারে এক ক্রেতারও একই অভিযোগ। তিনি বলেন, তারা করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে বেশকিছু পদক্ষেপ নিলেও তা যথেষ্ট নয়। কারণ বাতাস বা নিশ্বাসের মাধ্যমেও ভাইরাসটি ছড়ায়। তাই খোলা মাঠে বাজার বসলে ঝুঁকিটা কম থাকে। কাজীর দেউড়ি বাজারটি সামনে খোলা মাঠে বসালে অবশ্যই ভালো হতো। একই দাবি রেয়াজউদ্দিন বাজার ও বহদ্দারহাট কাঁচাবাজারে আসা ক্রেতাদের।

কাজীর দেউড়ি বাজার সমিতির সভাপতি আবদুল রাজ্জাক বলেন, আমরা বাজারে দুটি প্রবেশমুখ রেখেছি। একটি দিয়ে ঢুকবে অন্যটি দিয়ে বের হবে। মাস্ক ছাড়া কাউকে বাজারে প্রবেশ করতে দিচ্ছি না, হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিষ্কার করার পর বাজারে ঢুকতে হচ্ছে। এছাড়া নিরাপদ দূরত্বে বাজার করার ব্যবস্থা করেছি।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ