দেশে আয়কর দেয়ার ক্ষেত্রে বেড়েছে নারীর অংশগ্রহণ। তবে রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে ভোগান্তি পোহাতে হয় বলে অসন্তোষ রয়েছে অনেকের। এ অবস্থায় আয়কর মেলায় নারীদের জন্য আলাদা বুথ খোলার দাবি। এদিকে, কর কর্মকর্তারা বলছেন, চাকরিজীবী নারী করদাতার সংখ্যা বাড়লেও সচেতনতার অভাবে অনেক ব্যবসায়ী নারী রয়ে যাচ্ছেন করজালের বাইরে। পুরুষের পাশে মাটিতে বসে আয়কর রিটার্ন ফর্ম পূরণ করেন করছিলেন এক নারী করদাতা। কেউ কেউ এসেছিলেন কোলের শিশুকে নিয়ে। মেলায় ভিড় বেশি থাকায় রিটার্ন দাখিলে কিছুটা ঝামেলা পোহাতে হলেও কর দিতে পেরে খুশি তারা। তবে আয়কর মেলায় নারীদের জন্য পৃথক বুথ থাকলেও হেল্প ডেস্ক বাড়ানোর দাবি তাদের।
আয়কর অফিসেও মেলার মতো করবান্ধব পরিবেশ এবং মানুষকে কর প্রদানে উৎসাহিত করতে সচেতনতা ও প্রচারণা বাড়ানোর আহবান নারী করদাতাদের। তারা বলেন, মেলা ছাড়া অফিসে দিতে গেলে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়। এজন্য এভাবে কর নেয়া হলে অনেকেই আসবে এবং কর দেবে।
এদিকে চাকরিজীবী নারী করদাতার সংখ্যা বাড়লেও অনেক উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ী নারী এখনো করের আওতায় আসেনি। এজন্য এনবিআর কাজ করছে বলে জানিয়েছেন এনবিআর কর্মকর্তারা।
ঢাকা কর আপিল অঞ্চল-২’র যুগ্ম কর কমিশনার মাছুমা খাতুন বলেন, অনেকেই ই-কমার্স ব্যবসা করছেন। এটা এখনও সেভাবে করের আওতায় আসেনি। আমরা চেষ্টা করছি সেটাকে করের আওতায় আনার জন্য। সর্বশেষ ২০২৭-১৮ করবর্ষে রিটার্ন দাখিল করেছে ১৯ লাখের বেশি করদাতা। এর মধ্যে নারী করদাতা কত সেই তথ্য নেই এনবিআর’র কাছে।




