নগরীর পশ্চিম বাকলিয়া ডিসি রোডে আরইসরা ভবনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কার্যালয়ে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ৩ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি। পরে পুলিশ রাত সাড়ে ৮টার দিকে চারতলা ভবনটিতে হানা দিয়ে ৬টি তাজা ককটেল ও পেট্টোল বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করে। এছাড়া ছাত্রশিবিরের বিপুল পরিমাণ বার্ষিক কালেকশন চাঁদা রশিদ বইও জব্দ করে পুলিশ। তবে কেউ আটক হয়নি। পুলিশের দাবি, বিস্ফোরণ ঘটিয়ে শিবিরকর্মীরা ভবনের দ্বিতীয় তলার পেছনে গোপন সিঁড়ি দিয়ে পালিয়ে গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ডিসি রোড এলাকায় সন্ধ্যা ৭টার দিকে তারা মাদক উদ্ধার ও ওয়ারেন্টভূক্ত আসামি গ্রেফতারে অভিযানে যান। এসময় ছাত্রশিবিরের কার্যালয় আরইসরা ভবনের চারতলার ছাদে পরপর দুই-তিনটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) ডিসি মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে বিপুল পুলিশ ভবনটির সামনে অবস’ান নেন। ছুটে আসে ডিবি পুলিশ ও সিএমপির বোমা নিস্ক্রিয়কারী ইউনিট। রাত সাড়ে ৮টার দিকে পুলিশ ভবনটিতে ঢুকে তলস্নাশি চালায়। প্রায় আধা ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে পুলিশ ভবনটির দ্বিতীয় তলা থেকে ৬টি তাজা ককটেল উদ্ধার করে। এছাড়া ভবনটির নিচ তলা থেকে পেট্টোল বোমা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
সিএমপির উপকমিশনার মেহেদী হাসান সাংবাদিকদের বলেন, বিকেল পাঁচটার দিকে পুলিশ এ এলাকায় মাদক উদ্ধার ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার নিয়মিত অভিযান চালায়। এসময় হঠাৎ বিকট শব্দ শোনা যায়, এবং এরপর শিবির কার্যালয়ের ছাদে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ নিয়ে এসে কার্যালয় ঘিরে রাখা হয়।
তিনি জানান, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট প্রায় এক ঘণ্টার অভিযানের পর ৬টি তাজা ককটেল, বেশ কিছু বোমা তৈরির সরঞ্জাম ও শিবিরের প্রচারপত্র, চাঁদা তোলার বই উদ্ধার করা হয়। এরমধ্যে দ্বিতীয় তলা থেকে ককটেলগুলো পাওয়া যায়। ভবনের দ্বিতীয় তলার পেছনে একটি গোপন সুড়ঙ্গ দিয়ে শিবিরকর্মীরা পালিয়ে গেছে।




