রবিবার, আগস্ট ১৬, ২০২৬
প্রচ্ছদজাতীয়কানাডার পথে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

কানাডার পথে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

07-06-18-PM_Airport-3কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর আমন্ত্রণে জি-সেভেন আউটরিচ সম্মেলনে যোগ দিতে দেশটির পথে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৭ জুন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার পর এমিরেটসের ইকে-৫৮৭ ফ্লাইটযোগে দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে ঢাকার হযরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর ছাড়েন প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দরে তাকে বিদায় জানান ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী শাহজাহান কামাল, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমসহ মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, তিন বাহিনীর প্রধানসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। দুবাইয়ে যাত্রাবিরতি দিয়ে ৮ জুন ভোর সাড়ে ৩টার দিকে ইকে-২৪১ ফ্লাইটে কানাডার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা।

স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টায় কানাডার টরন্টোর পিয়ারসন আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা তাদের। বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবেন টরন্টোতে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল নাঈম উদ্দিন আহমেদ এবং অন্টারিও প্রদেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের পরিচালক জোনাথন সাউভে। সেখান থেকে এয়ার কানাডার এসি-৮৯১৪ ফ্লাইটে রওয়ানা হয়ে স্থানীয় সময় দুপুর দেড়টার দিকে কুইবেক সিটির জ্যঁ লেসাজ আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তাকে স্বাগত জানাবেন কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মিজানুর রহমান এবং কানাডা সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা। বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রধানমন্ত্রী কুইবেকে তার সফরকালীন আবাসস্থল হোটেল চাতিউ ফ্রন্তেনাকে যাবেন।

কুইবেকে জি-সেভেন আউটরিচ সম্মেলনে যোগদানের পাশাপাশি শেখ হাসিনা কানাডার প্রধানমন্ত্রী ট্রুডোসহ বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। সফরের প্রথম দিন শুক্রবার (৮ জুন) রাতে প্রধানমন্ত্রী কানাডার গভর্নর জেনারেলের দেওয়া নৈশভোজে অংশ নেবেন। পরদিন শনিবার (৯ জুন) সকাল থেকে জি-৭ আউটরিচ সম্মেলনের বিভিন্ন পর্বে অংশ নেবেন বাংলাদেশের সরকারপ্রধান। ১০ জুন (রোববার) সকালে কুইবেকে সফরকালীন আবাসস্থলে কানাডার প্রধানমন্ত্রী ট্রুডোর সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হবেন শেখ হাসিনা।

দুপুরের দিকে প্রধানমন্ত্রী এয়ার কানাডার এসি-৮৯২১ ফ্লাইটে কুইবেক সিটি থেকে টরন্টোর পিয়ারসন বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হবেন। বিকেল ৪টার দিকে পিয়ারসন বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন তিনি। সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রী টরন্টোতে সফরকালীন আবাসস্থল রিজ কার্লটনে যাবেন। স্থানীয় সময় ৬টায় মেট্রো টরন্টোতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন তিনি।

১১ জুন (সোমবার) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কানাডার মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূত বব রে’র সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। ১০টায় শেখ হাসিনা বৈঠক করবেন সাসকাতচেওয়ান প্রদেশের ডেপুটি প্রিমিয়ার, বাণিজ্য ও রফতানি উন্নয়নমন্ত্রী গর্ডন ওয়ান্ট এবং অভিবাসন ও ক্যারিয়ার প্রশিক্ষণমন্ত্রী জেরেমি হ্যারিসনসহ শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে। এরপর প্রধানমন্ত্রী কানাডা কমার্শিয়াল করপোরেশনের (সিসিসি) প্রেসিডেন্ট ও সিইও মার্টিন জাবলকির সঙ্গেও বৈঠক করবেন।

ব্যস্ত এসব কর্মসূচি শেষে সেদিন স্থানীয় সময় বেলা আড়াইটার দিকে টরন্টোর পিয়ারসন আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দর থেকে দুবাইয়ের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। দুবাইয়ে যাত্রাবিরতি দিয়ে মঙ্গলবার (১২ জুন) রাত ১১টা ২০ মিনিটে ঢাকা পৌঁছানোর কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

সফরে সরকারপ্রধানের উল্লেখযোগ্য সঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান, পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম, এসএসএফের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সফিকুর রহমান।

বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব হিসেবে সফরে রয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান স্থপতি কাজী গোলাম নাসির, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ