বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
প্রচ্ছদচট্রগ্রাম প্রতিদিনমহিউদ্দিন চৌধুরীর ত্রৈমাসিক ফাতেহায় নেতা-কর্মীর ভিড়

মহিউদ্দিন চৌধুরীর ত্রৈমাসিক ফাতেহায় নেতা-কর্মীর ভিড়

‘চট্টলবীর’ খ্যাত মহানগর আওয়ামী লীগের প্রয়াত সভাপতি, সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর ত্রৈমাসিক ফাতেহা ১৮ মার্চ দুপুরে ষোলশহর দুই নম্বর গেটের চশমা হিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেলা ১১টা থেকে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে মহিউদ্দিন চৌধুরীর বাসভবনটি। মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, সংসদ সদস্য মাঈনুদ্দিন খান বাদল, এমএ লতিফ, আওয়ামী লীগ নেতা জহিরুল আলম দোভাষ, হাসান মনসুর, যুবলীগের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু, যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী, কাউন্সিলর মোরশেদ মো. মোরশেদ আলম প্রমুখ।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মহিউদ্দিন চৌধুরীর ছেলে, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, আমার বাবার তিন মাসের ফাতেহা উপলক্ষে নেতা-কর্মীরা এসেছেন। প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় যোগদানের বিষয়ে আমরা খসড়া আলোচনা করেছি। বাকিটা বিকেলে বর্ধিত সভায় চূড়ান্ত করা হবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর জনসভা উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের নিয়ে ইতিমধ্যে আমরা একটি কর্মিসভা করেছি। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছে প্রতিটি থানা ও ইউনিট কমিটি আলাদা আলাদা বর্ধিত সভা করবে এবং কীভাবে জনসভায় আমরা সমবেত হবো তা ঠিক করা হবে। তারই অংশ হিসেবে ১৮ মার্চ থিয়েটার ইনস্টিটিউট চট্টগ্রামে (টিআইসি) মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা হবে। সেখানে মহানগরের ইউনিটগুলো থেকে জনসভায় যানবাহন নেওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত হবে। উত্তর জেলা ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ আলাদাভাবে বর্ধিত সভা করছে। এরপর পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে।

তিনি জানান, যেহেতু জনসভার স্থানটি মহানগর থেকে দূরে আছে, উত্তর জেলা থেকেও দূরে আছে। মহানগরের বিষয়ে আজ সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত হবে। চট্টগ্রাম মহানগরের প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে লোকজন যাবে। বিশেষ করে নদীর পাড়ের ওয়ার্ডগুলোর মানুষ নদীপথে চলে যাবেন। ধারণা করছি পতেঙ্গাসহ ২৫টি ওয়ার্ড নদীর আশপাশে আছে. সেখান থেকে বেশি পরিমাণ লোকসমাগম সম্ভব হবে। বাকলিয়া থেকে বাসে যাবেন নেতা-কর্মীরা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ