বিশেষ প্রতিনিধিঃ (বিডি সময় ২৪ ডটকম)
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১১ টা ৫৫ মিনিটে রামু উত্তর মিঠাছড়িস্থ বিমুক্তি বিদর্শন ভাবনা কেন্দ্রে পোঁছেন। সেখানে তাকে বরণ করে নেন, বীর বাহাদুর এমপি ও ওই ভাবনা কেন্দ্রের অধ্যক্ষ করুণা শ্রী ভিক্ষু।
এসময় সেনা প্রধান জেনারেল ইকবাল করিম ভূঁইয়া, নৌবাহিনীর প্রধান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ ফরিদ হাবিব, ও ১৭ ইসিবি’র অধিনায়ক লে. কর্ণেল জুলফিকার রহমান উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত আছেন স্বরাস্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দিন খান আলমগীর, শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া,বন ও পরিবেশ মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, যুক্তরাষ্ট্রের রাস্ট্রদূত ড্যান মজিনা, ভারতের রাষ্ট্রদূত পংকজ শরণ, রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার এ নিখোলাএভ।
বিমুক্তি বিদর্শন ভাবনা কেন্দ্রে সেনাবাহিনী সদস্যরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রজেক্টরের মাধ্যমে রামুর বৌদ্ধ বিহার নির্মাণের সচিত্র উপস্থাপন করেন।
সেখানে তিনি ১০০ ফুট দৈর্ঘ্য মুর্তি এবং নবনির্মিত ভাবনা কেন্দ্র ভবন উদ্বোধন করেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী ১০ টি বৌদ্ধ বিহারের নতুন ভবন যথাক্রমে লালচিং বিহার, সাদাচিং বিহার, আর্যবংশ বৌদ্ধ বিহার, অপর্ণা চরণ বৌদ্ধ বিহার, উচাই সেন বিহার, জেতবন বৌদ্ধ বিহার, বন বিহার, অজান্তা বৌদ্ধ বিহার ও বিবেকারাম বৌদ্ধ বিহার উদ্বোধন করেন ।
এরপর তিনি রামু মৈত্রী বিহারের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন। মৈত্রী বিহার উদ্বোধন করার পর যাবেন রামু কেন্দ্রিয় সীমা বিহারে। ওখানে একটি সুধি সমাবেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখবেন। এ সুধি সমাবেশে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতারা প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানাবেন।
এর পর রামু থেকে হেলিকপ্টার যোগে প্রধানমন্ত্রী উখিয়ার ইনানী রেস্টহাউসে যাবেন। যেখানে দুপুর খাবার ও নামায শেষে হেলিকপ্টার যোগে উখিয়া যাবেন দুপুর আড়াই টার দিকে। প্রধানমন্ত্রী উখিয়া হাইস্কুল মাঠে জনসভা স্থলে পৌঁছে বক্তব্য প্রদানের আগে উখিয়ার ৭ টি বৌদ্ধ বিহার সহ ১৬ নতুন ভবন ও উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ঘোষণা করবেন। একই সঙ্গে তিনি ১৮ টি নতুন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।




