বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মামলা ইস্যুতে রাজপথে থাকবে ২০ দলীয় জোটের শরিকরা। যে কোনো কর্মসূচি ঐক্যবদ্ধভাবে পালন করা হবে। খালেদা জিয়াকে ছাড়া কোনো নির্বাচনে অংশ নেবে না ২০ দলীয় জোট। সেই নির্বাচন হতে দেয়া হবে না। তা প্রতিহত করা হবে। রোববার রাতে জোটের শীর্ষ নেতাদের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে রাত সোয়া ৯টায় এ বৈঠক শুরু হয়ে চলে প্রায় দেড় ঘণ্টা।
বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদের সদস্য আবদুল হালিম এ সময় জানান, আওয়ামী লীগের সঙ্গে আমাদের আঁতাত হয়েছে বলে নানা কথা চলছে। আসলে কোনো ঐক্য হয়নি, হতে পারে না। কারণ সরকার জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের ফাঁসিতে ঝুলিয়েছে। আওয়ামী লীগ একটি জল্লাদ দল।
বৈঠক শেষে এক নেতা জানান, খালেদা জিয়ার মামলার রায়ে নেতিবাচক কিছু হলে জোটবদ্ধভাবে কর্মসূচি পালন করা হবে। এর আগে প্রতিটি দল সাংগঠনিকভাবে জোরালো প্রস্তুতি নেবে। বৈঠকে জোট নেতারা বলেছেন, বিএনপি প্রধানকে মাইনাস করে কোনো নির্বাচন হবে না।
খালেদা জিয়ার সভাপতিত্বে বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদের সদস্য আবদুল হালিম, বিজেপির আন্দালিব রহমান পার্থ, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, কল্যাণ পার্টির সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, ইসলামী ঐক্যজোটের অ্যাডভোকেট এমএ রকীব, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) রেদোয়ান আহমেদ, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) অধ্যাপক রেহানা প্রধান, খেলাফত মজলিশের মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির খন্দকার গোলাম মূর্তজা, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, ন্যাপ-ভাসানী আজহারুল ইসলাম, পিপলস লীগের গরীবে নেওয়াজ, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান, হামদুলাহ আল মেহেদি, জমিয়তে উলামা ইসলামের মাওলানা আবদুর রব ইউসুফী, মুফতি মহিউদ্দিন ইকরাম, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের এএইচএম কামরুজ্জামান খান, বাংলাদেশ ন্যাপের জেবেল রহমান গানি, সাম্যবাদী দলের সাঈদ আহমেদ, ডেমোক্রেটিক লীগের (ডিএল) সাইফুদ্দিন মনি ছাড়াও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। সর্বশেষ ২০ দলীয় জোটের বৈঠক হয় গত ৮ জানুয়ারি।




