৫ জানুয়ারিকে গণতন্ত্র হত্যা দিবস আখ্যায়িত করে শুক্রবার কাজীর দেউড়ি এলাকার নাসিমন ভবনের দলীয় কার্যালয় চত্বরে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে নগর বিএনপি। মিছিলে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে কাজীর দেউড়ি মোড় থেকে লাভলেন মোড় পর্যন্ত আইন-শৃংখলা বাহিনীর বিপুল পরিমাণ সদস্য পুরো এলাকা ঘিরে রাখেন। জুমার নামাজের পর থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে আসতে থাকে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। তাদের বেশির ভাগের হাতে ছিল কালো পতাকা।
ওই এলাকায় ছাত্রদল সভাপতি গাজি সিরাজ উল্ল্যাহর নেতৃত্বে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা কালো পতাকা মিছিল করতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে কয়েকজন সামান্য আহত হন। এ সময় কাজীর দেউড়ি এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়ে। অবশ্য এ ঘটনার পর বিএনপির সমাবেশটি শান্তিপূর্ণভাবেই অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদত হোসেন প্রধান অতিথি ও প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম বিভাগ) মাহবুবের রহমান শামীম।
ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, আজ থেকে ৪ বছর আগে এই দিনে ভোটারবিহীন নির্বাচনে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসেছে। এই সরকারের কোনো বৈধতা নেই। এ দিনে আমরা ভোটের অধিকার হারিয়েছি। সংবিধানের অধিকার হারিয়েছি।
সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বিএনপি নেতা আবু সুফিয়ান, এমএ আজিজ, আবুল হাসেম বক্কর, মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, শামসুল আলম, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আবদুল মান্নান প্রমুখ ছাত্রদল নেতা গাজী সিরাজ উল্ল্যাহ, বেলায়েত হোসেন বুলু বক্তব্য দেন। এদিকে কোতোয়ালি থানার দোস্ত বিল্ডিংয়ের সামনে সকালে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে দক্ষিণ জেলা বিএনপি। এ সময় বিপুলসংখ্যক পুলিশ সমাবেশে বাধা দেয়ার চেষ্টা করে।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী জাফরুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম বিভাগ) মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, খালেদা জিয়াকে ছাড়া এ দেশে কোনো নির্বাচন হতে দেয়া হবে না। সভায় আরো বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির নেতা মোশারফ হোসেন, অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম, নাজমুল মোস্তফা আমিন, অ্যাডভোকেট কাশেম চৌধুরী, মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীসহ আরো অনেকে।




