সোমবার চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানির মেজবানে ভিড়ের মধ্যে পদদলিত হয়ে ১০ জন নিহত হন। আহত হন আরও অনেকে। এদিকে ঘটনা তদন্তে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন।
আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর ছেলে মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলও এ ঘটনার তদন্ত দাবি করেছেন। তিনি বলেন, অসাবধানতাবশত এ ঘটনা ঘটনা ঘটেছে কি না, তা আমরা জানতে চাই। সেখানকার সিসিটিভি ফুটেজ দেখলেই বিষয়টি জানা যাবে।
রীমা কমিউনিটি সেন্টারের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মান্নান জানান, কমিউনিটি সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। সোমবার রাতে একটি বিয়ের অনুষ্ঠান থাকলেও সেটি হয়নি। এছাড়া চলতি সপ্তাহেও তাদের কমিউনিটি সেন্টারে বিয়ে বা অন্যান্য অনুষ্ঠানের বুকিং ছিল বলে জানান তিনি। গত ১৪ ডিসেম্বর দিনগত রাত ৩টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান চট্টল বীর এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী।




