কম্বোডিয়া সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে বক্তব্য রেখেছেন- তাতে গণতন্ত্রের লেশমাত্র নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। শনিবার রাজধানীতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি বলেন, “আপনারা বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শুনেছেন। সেই বক্তব্যে যেটা এসেছে, সেখানে গণতন্ত্রের লেশ মাত্র নেই। সেই বক্তব্যে উঠে এসেছে একটি স্বৈরতান্ত্রিক মনমানসিকতা, সেই বক্তব্যে উঠে এসেছে আগামী নির্বাচনে ক্ষমতা দখলের প্রক্রিয়া।
খসরু বলেন, “আগামী নির্বাচনে প্রক্রিয়া অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় নয়, যে প্রক্রিয়ায় হতে যাচ্ছে তা ক্ষমতা দখলের প্রক্রিয়া। “আমরা বলতে চাই, বাংলাদেশের মানুষের ভোটাধিকার, মানবাধিকার কেড়ে নিয়ে বার বার ক্ষমতা দখলের প্রক্রিয়া সফল হবে না। জনগণ এটা রুখে দেবে। আগামী ২০১৮ সাল হবে গণতন্ত্রের সাল, জনগণের ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ার সাল। বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তায় ক্ষমতাসীনরা ‘বেপরোয়া হয়ে উঠেছে’ বলে দাবি করেন দলটির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য।তিনি বলেন, “আগামী নির্বাচন সামনে রেখে তারা (সরকার) আরও বেশি বেপরোয়া হয়ে পড়েছে। কারণ তারা জনগণের কাছে যেতে পারবে না, জনগণের কাছে তাদের কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই। তার বিপরীতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, বিএনপির জনপ্রিয়তা তাদের আরও বেপরোয়া করে তুলেছে।
সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, “অবৈধ ও অনির্বাচিত সরকার এমন পর্যায় পৌঁছেছে যে, তারা জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। তারা পুরোপুরি রাষ্ট্রীয় যন্ত্রের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। জনগণের কাছে তাদের কোনো জবাবদিহিতা নেই। এই সরকারের শেষ ভরসা হচ্ছে গুম, খুন, হত্যা, মিথ্যা মামলা, জেল-জুলুম। যুবদলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম নিরব ও সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কারাবন্দি সভাপতি রফিকুল আলম মজনুর মুক্তির দাবিতে এই মানববন্ধন আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী যুবদল।
মহানগর দক্ষিণ যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শরীফ হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা শাহিনের পরিচালনায় মানববন্ধনে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, যুব দল উত্তরের সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর, কেন্দ্রীয় নেতা মোস্তফা কামাল রিয়াদ, আরটি মামুন, আনন্দ সাহা, হাসান, হাসান সাঈদ বক্তব্য রাখেন।




