গৃহকর নিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টায় যে অপপ্রচার তাতে বিভ্রান্ত না হয়ে আপিল বোর্ডের শুনানিতে অংশ নেওয়ায় সংশ্লিষ্টদের ‘ধন্যবাদ’ জানিয়েছেন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। ২৯ অক্টোবর দুপুরে চসিকের কেবি আবদুচ ছত্তার মিলনায়তনে পঞ্চবার্ষিক কর পুনর্মূল্যায়নের পর প্রথম আপিল বোর্ডের শুনানি কার্যক্রমের শুরুতে মেয়র এ ধন্যবাদ জানান। মেয়র বলেন, একটা বোর্ড দিয়ে আপিল নিষ্পত্তির কাজ শুরু হয়েছে। ক্রমান্বয়ে আরও সাতটি আপিল বোর্ড গঠন করা হবে। জনগণের সুবিধাজনক জায়গাতেই এসব আপিল বোর্ড কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
তিনি বলেন, আমি শুরু থেকেই বলেছি, ট্যাক্স সহনীয়ভাবেই করা হবে। এটি একটি প্রক্রিয়া। আইনগতভাবেই এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়। এখানে আপিল করার সুযোগ আছে। আপিলে প্রত্যেকের কথা শোনা হবে। আপিলের পর দেখেন কী হয়। প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ার আগেই বিভ্রান্তি ছড়ানো উচিত নয়। কী হয় সেটা দেখেই আলোচনা করুন। আপিল না করলে যে ট্যাক্স ধরা হয়েছে সেটাই দিতে হবে। তখন আর করার কিছু থাকবে না।
মেয়র বলেন, কিছু মানুষ চেয়ারে থাকলে এক রূপ ধারণ করে, চেয়ারে না থাকলে অন্যরূপ ধারণ করে। এরা মানুষকে বিভ্রান্ত করে। এই শহর আপনার, আমার শহর। এ শহরের উন্নয়ন আমাদের করতে হবে। না হলে আমরা পিছিয়ে থাকব। চসিকের রাজস্ব বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত প্রায় ৪৬ হাজার হোল্ডিং মালিক আপিল করেছেন। এর মধ্যে রাজস্ব সার্কেল ৪ এর দেড়শ ভবন মালিককে শুনানিতে অংশ নিতে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
চসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান বেলা আড়াইটায় বলেন, বেলা ১১টা থেকে আড়াইটার মধ্যে অর্ধশতাধিক হোল্ডিং মালিকের বক্তব্য শুনে আপিল আবেদনের সন্তোষজনক নিষ্পত্তি করা হয়েছে। মেয়র মহোদয়ের উপস্থিতিতে আপিলের শুনানি চলছে।




