একটু করে শুনেছিলাম কারা যেন হরতাল ডেকেছে বৃহস্পতিবার। কিন্তু কই কিসের হরতাল। গাড়ি-তো ঠিকমতো চলছেই। এখন কি আর হরতালের মতো হরতাল হয়? ১২ অক্টোবর সকালে নগরীর চকবাজার মোড়ে হরতাল নিয়ে এসব কথা বলছিলেন শাহাদাত আহমেদ নামে এক ব্যবসায়ী। প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সকালেও চকবাজার থেকে আগ্রাবাদের কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য বাসা বের হয়েছেন তিনি।
এই ব্যবসায়ী আরও বলেন, একসময় হরতালের আগের রাতেই গাড়ি জ্বালিয়ে দিতো ভাংচুর করতো নিরতাল পালনকারীরা। বর্তমানে তো আর এই পরিস্থিতি নেই। রাস্তায় রাস্তায় পুলিশ রয়েছে। হরতাল তো দূরের কথা, হরতালের সমর্থনে একটা মিছিলও এখন বের করতে পারে না। কেন্দ্রীয় নেতাদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে জামায়াত ১২ অক্টোবর সারাদেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দিলেও তার কোন প্রভাব পড়েনি নগরজীবনে। স্বাভাবিকভাবেই চলছে যানবাহন। সকাল থেকে এ পর্যন্ত কোথাও কোন বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির খবর পাওয়া যায়নি।
নগরীর বহদ্দারহাট, মুরাদপুর, অক্সিজেন, দুই নম্বর গেইট, জিইসি, আগ্রাবাদ, আন্দরকিল্লা, কোতোয়ালি, অক্সিজেনসহ বহদ্দারহাট টার্মিনাল, একেখান, গরিবুল্লাহ শাহ মাজার থেকে প্রতিদিনের ন্যায় স্বাভাবিকভাবে গাড়ি চলাচল করছে। বাসচালক সামশু জানান, হরতাল চলছে শুনেছি। কিন্তু আমরা প্রতিদিনের মতোই গাড়ি নিয়ে বের হয়েছি। যাত্রীরা স্বাভাবিকভাবেই যার যার স্থানে আসা-যাওয়া করছেন। এখনো পর্যন্ত কোন সমস্যা হয়নি। এদিকে হরতালে যেকোন বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে নগরীর ৮০টি স্পটে অতিরিক্ত প্রায় দেড় হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) সালেহ মোহাম্মদ তানভির। তিনি বলেন, ‘সকাল থেকে কোথাও কোন বিশৃঙ্খলতার খবর পাওয়া যায়নি। স্বাভাবিকভাবে গাড়ি চলাচল করছে। যেকোন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে।’




