পা পিছলে পড়ে কোমরে আঘাত পাওয়ার এক মাস ১০ দিন পর ঘর থেকে বেরিয়ে বহদ্দারহাট থেকে কালুরঘাট পর্যন্ত সড়কটির সংস্কারকাজ সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। ১১ অক্টোবর দুপুর সাড়ে ১২টায় বহদ্দারহাট থেকে আরাকান সড়ক পরিদর্শন শুরু করেন তিনি। বেলা একটায় তিনি কালুরঘাট সেতুর উত্তরপ্রান্তে পৌঁছেন। এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য মঈনুদ্দিন খান বাদল উপস্থিত ছিলেন।
তৈয়ব নূর স্মৃতি কালুরঘাট যাত্রীছাউনিতে মেয়র অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের বলেন, চট্টগ্রাম নগরীকে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তুলতে হলে, নাগরিকসেবা, নগরবাসীর যে অধিকার তা নিশ্চিত করতে যে পদক্ষেপ ও প্রকল্প গ্রহণ প্রয়োজন আমি দায়িত্ব গ্রহণের পর তা করেছি। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি, অনুমোদনও হয়েছে। আরও বেশ কয়েকটি প্রকল্প অনুমোদন পর্যায়ে রয়েছে। আমাদের আর্থিক সীমাবদ্ধতা আছে। এটি সবাই জানে। এ কারণে পরিকল্পিতভাবে নগরী গড়ে তুলতে পারছি না। আমাদের কিন্তু পারতেই হবে। এ কারণে আমি বারে বারে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। সরকারের সহায়তা নিয়ে এ কাজটি আমার যে বাকি সময়টুকু আছে তার মধ্যে করতে পারব এটি আমার দৃঢ় বিশ্বাস।
গৃহকর সম্পর্কিত এক প্রশ্নের উত্তরে মেয়র বলেন, গৃহকর নিয়ে যেভাবে কথাবার্তা বলা হচ্ছে এভাবে বলার প্রয়োজন ছিল না। আমরা একটি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেছি। বিগত দিনেও এ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে। এটি একটি প্রাথমিক ধাপ। কারও গৃহকর নিয়ে বক্তব্য থাকলে, এখানে কোনো অনিয়ম হলে, দুর্নীতি হলে আপিল করতে পারেন। এ নগরটা তো আমাদেরই। আমাদের নিরাপদ পথচলার জন্য সিটি করপোরেশনের কাজে যে প্রত্যাশাটা নগরবাসী করছে তা পূরণ করতে হলে চসিককে সহযোগিতা করতে হবে। সহযোগিতা করতে হলে অবশ্যই কিছুটা ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। আমি কোনো অনিয়ম করার পক্ষপাতি নই। ১৯৮৬ সালের করবিধির ১৯, ২০, ২১ ধারা অনুসরণ করেই আমরা অ্যাসেসমেন্ট করেছি। তারপরও আমি যেহেতু জনপ্রতিনিধি, জনগণের প্রতি আমার দায়বদ্ধতা আছে। অঙ্গীকারও আছে। যতটুকু সহনীয় পর্যায়ে কর নির্ধারণ করা যায় করব। করদাতার উপস্থিতিতে আপিল নিষ্পত্তি করব। গত মেয়র মহোদয়ের ১৩ হাজার আপিল নিষ্পত্তি করেছি।




