বঙ্গোপসাগরে বিশেষ অর্থনৈতিক এলাকায় মাছ ধরতে আরো ২৫টি ট্রলারের নতুন লাইসেন্স দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোশাররফ হোসেন ভুইঞাঁ সাংবাদিকদের বলেন, এছাড়াও লাইসেন্স গ্রহণ, নবায়ন ও সাগরে জলজ সম্পদ আহরণে অনিয়ম দূর করতে মৎস ও পশুসম্পদ মন্ত্রণালয়কে নীতিমালা প্রণয়নেরও নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আর নতুন নীতিমালার ভিত্তিতেই এসব লাইসেন্সগুলো দেয়া হবে বলে জানান তিনি।
বঙ্গোপসাগরের ২০০ মিটার গভীরতায় ১৫টি মিডওয়াটার ট্রলার ও এর বেশি গভীরতায় ১০টি লং লাইনার ট্রলারের লাইসেন্স দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তবে এসব লাইসেন্স প্রাপ্তি ও ব্যবহার নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ থাকায় নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করতে দিক নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী বলে জানান তিনি।
সচিব বলেন, এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। তবে সামুদ্রিক মৎস্য আহরণের বিষয়ে একটি বিস্তারিত নীতিমালা তৈরি করতে হবে। লাইসেন্সধারীদের কেউ যদি নীতিমালা ভঙ্গ করে থাকে, তাহলে তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হবে।
সচিব আরো বলেন, সভায় ২০০ মিটারের গভীরতার বাইরে টুনাফিসের মতো রপ্তানিমুখী মাছ আহরণে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। পাশাপাশি জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলে মৃত্যুদণ্ড বিলোপ ও সমকামীতার বিষয়ে বাংলাদেশের শক্ত অবস্থান ঘোষণাসহ ৬টি বিষয় তুলে ধরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলে জানান তিনি।




