পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন চেয়ারম্যানের ক্ষমতা কমানো হয়েছে। সরকার এ কমিশন আইনের সংশোধন করায় এ ক্ষমতা কমেছে। আগে চেয়্যারম্যানের ক্ষমতাই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হতো। সংশোধিত আইনে কমিশনের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। ০১ আগস্ট সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইন সংশোধনের প্রস্তাব ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। আইনের সংশোধিত প্রস্তাব জাতীয় সংসদে পাসের জন্য নির্ধারিত সময় কম থাকায় অধ্যাদেশ আকারে জারি করা হবে। মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠক শেষে দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এসব তথ্য জানান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের ১৪টি আইন সংক্রান্ত সংশোধন প্রস্তাবের সবগুলোই গ্রহণ করা হয়েছে। আঞ্চলিক পরিষদের ১৪টি প্রস্তাব ১২টি সংশোধনীর মাধ্যমেই পূরণ করা হয়েছে খসড়ায়। তিনি জানান, আইনের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধন হচ্ছে, চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা এবং কোরাম পূরণ। চেয়ারম্যানের ক্ষমতা প্রসঙ্গে মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইনে চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হতো। পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন (সংশোধন) আইন-২০১৬ প্রস্তাবে চেয়ারম্যানসহ কমিশনের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হব।
কোরাম প্রসঙ্গে মন্ত্রপরিষদ বিভাগের সচিব বলেন, ৫ সদস্যের কমিশন বৈঠকে বিদ্যমান আইনে চেয়ারম্যানসহ ৩ জন হলে কোরাম হতো। সংশোধিত প্রস্তাবে চেয়ারম্যানসহ ৪ সদস্য উপস্থিত হলেই কোরাম হবে। তিনি জানান, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের প্রস্তাবে বিদ্যমান আইনের কিছু জায়গায় স্পষ্ট করা হয়েছে সংশোধিত আইনে।




